Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ফারুক চৌধুরীর ইন্তেকাল

স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ফারুক চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্রদূত সমশের মুবিন চৌধুরী যুগান্তরকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এরপর বাদ আসর ধানমণ্ডি ৭ নম্বর রোডের বায়তুল আমান জামে মসজিদে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।’
মৃত্যুকালে ফারুক চৌধুরীর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী জীনাত চৌধুরী, ছেলে আদনান, মেয়ে ফাইয়াজসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ফারুক চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১৪ জনুয়ারি সিলেটে করিমগঞ্জে বা শ্রীহট্টে জন্মগ্রহণ করেন। করিমগঞ্জ তখন সিলেটের অন্তর্ভুক্ত হলেও এখন তা আসামভুক্ত। তার বাবা গিয়াসুদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছিলেন সরকারি চাকুরে, মা রফিকুন্নেছা খাতুন চৌধুরী। ম্যাজিস্ট্রেট বাবার প্রথম সন্তান ফারুক চৌধুরী। তার আরও তিন ভাই ও দুই বোন রয়েছেন, ইনাম আহমেদ চৌধুরী (সাবেক সচিব ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত), প্রয়াত মাসুম আহমেদ চৌধুরী (রাষ্ট্রদূত), ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী (রাষ্ট্রদূত, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও অধ্যাপক), বোন নাসিম হাই (স্বামী শহীদ কর্নেল সৈয়দ আবদুল হাই), ছোট বোন নীনা আহমেদ (স্বামী ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা)। ফারুক চৌধুরী ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে চাকরিজীবন শেষ করেন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে। ফারুক চৌধুরী ভারত এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশ প্রতিনিধি ছিলেন। ওআইসি এবং সার্ক প্রথম সম্মেলনের সমন্বয় ছাড়াও তিনি জাতিসংঘ এবং অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়া তিনি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের উপদেষ্টা, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, ও ডিবিএইচের (ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইনান্স কর্পোরেশন) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঝানু এই কূটনীতিকের প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘জীবনের বালুকাবেলায়’ ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই বইয়ের জন্য তিনি ২০১৫ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। আত্মজীবনীমূলক এই গ্রন্থ ছাড়াও তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে, দেশ দেশান্তর, প্রিয় ফারজানা, নানাক্ষণ নানাকথা, স্বদেশ স্বকাল স্বজন, সময়ের আবর্তে ইত্যাদি।


আরো দেখুন

দ্রুত চালুর জন্য একযোগে কাজ করতে ঐকমত্য

জীবননগর স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে ভারতের কৃষ্ণগঞ্জে যৌথসভা জীবননগর ব্যুরো: দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দর দ্রুত চালুর বিষয়ে গতকাল …

Loading Facebook Comments ...