চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সন্দেহজনক ঘোরাফেরা : পুলিশে দিতেই বোবা

স্টাফ রিপোর্টার: দু’দিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বহিঃবিভাগে ঘোরার সময় দিব্যি কথা বলছিলো। জনগণ যখনই সন্দেহের বসে ধরে পুলিশে দিয়েছে, তখনই আচমকা বোবা সেজে সকলকে বোকা বানাতে শুরু করে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সে পাগল সেজে মুক্ত হয়ে রাস্তায় ফিরেছে।
নাম সাইদুল, বাড়ি চুয়াডাঙ্গার তিতুদহে বলে সে কাগজে লিখলেও কেন দু’দিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ঘুর ঘুর করছিলো সে প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। পুলিশও তেমন কোনো সন্তোষজনক জবাব না পেয়ে ‘পাগল’ বলে আখ্যা দিয়ে থানা থেকে তাকে ছেড়ে দিয়েছে। থানার কর্তব্যরত অফিসার এসআই মুহিদ এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, লোকটা মস্তিষ্ক বিকৃত রোগে আক্রান্ত। এ কারণে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মাঝে মাঝেই নানা ধরনের অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে। হুমকি-ধামকির ঘটনাও মাঝে যেন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। নেশাখোর ছিচকে চোরের উপদ্রব্য তো লেগেই থাকে। এসব রুখে হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বহিঃবিভাগে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়। পুলিশ যেমন সজাগ দৃষ্টি রাখে, তেমনই হাসপাতালে কর্তব্যরতদের পাশাপাশি রোগীর লোকজনদের মধ্যেও অনেকে অপরাধমূলক ঘটনা রোধে তৎপর। এরই মাঝে গত দু’দিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনুমানিক ৪০-৪৫ বছর বয়সী একজন সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। হাসপাতালে আসা যাওয়ার সময় সে অনেকের সাথে স্বাভাবিকভাবে কথাও বলে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয়রা সন্দেহভাজনকে ধরে মোতায়েনকৃত পুলিশে দেয়। নায়েক ইব্রাহিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করতেই বোবা হয়ে যায় লোকটা। সন্দেহ ঘনীভুত হয়। তাকে আবাসিক মেডিকেল অফিসারের নিকট নেয়া হয়। পরে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় দেয়া হয়। পরে থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালের অনেকেই মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, সন্দেহের ঘোর কিছুটা থেকেই গেলো। যে ব্যক্তি কানে শোনে সে কি বোবা হয়? তাছাড়া দু’দিন ধরে যার সাথে অনেকেরই কথা হয়েছে। যাদের সাথে সে কথা বলেছে, তাদের সামনেই বোবা সেজে বানালো বোকা!


আরো দেখুন

অবৈধ দখলদারদের কবলে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর

স্টাফ রিপোর্টার: অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর। চলাচলের সুবিধার্থে সড়ক সম্প্রসারণ করা হলেও …

Loading Facebook Comments ...