সব আতঙ্ক দূরে ঠেলে ঈদ উৎসব হোক সকলের জন্য নিরাপদ পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন। আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। কর্মসূচিতে দূরে থাকা আপনজন নাড়ির টানে আপনজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার মানসে মত্ত মানুষ ছুটছেন আপন ঠিকানায়। ঈদের নতুন পোশাক কেনারও ধুম পড়েছে বিপণী বিতানগুলোতে। হাট বাজার রাস্তাঘাটে বেড়েই চলেছে ভিড়। জাকাতের শাড়ি কাপড় টাকা পাওয়ার আশায় দরিদ্রদের ছোটাছুটিও কম নয়। এর মাঝে অপরাধীদের অপতৎপরতাও বেড়ে যায় কয়েকগুন। তবে কয়েক বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে উৎসবের আমেজে উল্লেখযোগ্য ছেদ লক্ষ্য করা যায়নি। এবারও পুলিশের বাড়তি তৎপরতা সকলের জন্য ঈদের আনন্দ নিরাপদ হবে বলেই প্রত্যাশা। ইসলাম ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় এ উৎসবে সব চেয়ে বেদনার যে ছবি ফি বছর ফিরে আসে তা হলো পরিবহন বিড়ম্বনা। ঈদের আগে বড় শহর থেকে ছোট শহরে ফেরার সময় শুধু দূরপাল্লার কোচগুলো বাড়তি ভাড়াই আদায় করে না, বাড়তি টিপের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। ঈদের পর কর্মমুখী মানুষগুলোকে আবারও অভিন্ন ঝুঁকি নিয়েই রাস্তায় বের হতে হয়। যাত্রীর ভিড়ে ঠাসাঠাসির শত কষ্টও মøান হয়ে যায় যদি ঈদের আনন্দ নিরাপদ হয়। বকশিসের নামে এক ধরনের চাঁদাবাজি যেমন আপন ঠিকানায় ফেরা মানুষগুলোকে তটস্ত করে তোলে, তেমনই উঠতি বয়সীদের অর্থলিপ্সুতা বিপথগামীও করে। চুরি ডাকাতি ছিনতাই? পুলিশি তৎপরতার পাশাপাশি গ্রাম জনপদের সাধারণ মানুষের সজাগ অবস্থান এখনও পর্যন্ত স্বস্তিদায়ক। ঈদের কেনাকাটার ভিড়ে বিপণী বিতানের দোকানিদের একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন দরকার। বিশেষ করে টাকা লেনদেনের সময় তা ভালো করে দেখে নেয়াই উত্তম। মনে রাখতে হবে জালটাকাকারবারিরা আশে পাশেই ঘুরছে। সুযোগ বুঝেই গছিয়ে দেবে। ভিড় সামলাতে ট্রাফিক পুলিশের বাড়তি দায়িত্ব পালনের বিকল্প নেই। চুয়াডাঙ্গায় এখনও পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তেমন প্রশ্ন ওঠেনি। তবে সড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা এখন খুবই জরুরি। রাতদিন সমান তালে যখন দূরপাল্লার পরিবহন আসা যাওয়া করবে তখন অপরাধীরা সুযোগ নিতে পারে। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকেই এ আতঙ্ক। তবে সব আতঙ্ক দূরে ঠেলে ঈদ উৎসব হোক সকলের জন্য নিরাপদ।

সব আতঙ্ক দূরে ঠেলে ঈদ উৎসব হোক সকলের জন্য নিরাপদ
পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন। আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। কর্মসূচিতে দূরে থাকা আপনজন নাড়ির টানে আপনজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার মানসে মত্ত মানুষ ছুটছেন আপন ঠিকানায়। ঈদের নতুন পোশাক কেনারও ধুম পড়েছে বিপণী বিতানগুলোতে। হাট বাজার রাস্তাঘাটে বেড়েই চলেছে ভিড়। জাকাতের শাড়ি কাপড় টাকা পাওয়ার আশায় দরিদ্রদের ছোটাছুটিও কম নয়। এর মাঝে অপরাধীদের অপতৎপরতাও বেড়ে যায় কয়েকগুন। তবে কয়েক বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে উৎসবের আমেজে উল্লেখযোগ্য ছেদ লক্ষ্য করা যায়নি। এবারও পুলিশের বাড়তি তৎপরতা সকলের জন্য ঈদের আনন্দ নিরাপদ হবে বলেই প্রত্যাশা।
ইসলাম ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় এ উৎসবে সব চেয়ে বেদনার যে ছবি ফি বছর ফিরে আসে তা হলো পরিবহন বিড়ম্বনা। ঈদের আগে বড় শহর থেকে ছোট শহরে ফেরার সময় শুধু দূরপাল্লার কোচগুলো বাড়তি ভাড়াই আদায় করে না, বাড়তি টিপের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। ঈদের পর কর্মমুখী মানুষগুলোকে আবারও অভিন্ন ঝুঁকি নিয়েই রাস্তায় বের হতে হয়। যাত্রীর ভিড়ে ঠাসাঠাসির শত কষ্টও মøান হয়ে যায় যদি ঈদের আনন্দ নিরাপদ হয়। বকশিসের নামে এক ধরনের চাঁদাবাজি যেমন আপন ঠিকানায় ফেরা মানুষগুলোকে তটস্ত করে তোলে, তেমনই উঠতি বয়সীদের অর্থলিপ্সুতা বিপথগামীও করে। চুরি ডাকাতি ছিনতাই? পুলিশি তৎপরতার পাশাপাশি গ্রাম জনপদের সাধারণ মানুষের সজাগ অবস্থান এখনও পর্যন্ত স্বস্তিদায়ক।
ঈদের কেনাকাটার ভিড়ে বিপণী বিতানের দোকানিদের একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন দরকার। বিশেষ করে টাকা লেনদেনের সময় তা ভালো করে দেখে নেয়াই উত্তম। মনে রাখতে হবে জালটাকাকারবারিরা আশে পাশেই ঘুরছে। সুযোগ বুঝেই গছিয়ে দেবে। ভিড় সামলাতে ট্রাফিক পুলিশের বাড়তি দায়িত্ব পালনের বিকল্প নেই। চুয়াডাঙ্গায় এখনও পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তেমন প্রশ্ন ওঠেনি। তবে সড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা এখন খুবই জরুরি। রাতদিন সমান তালে যখন দূরপাল্লার পরিবহন আসা যাওয়া করবে তখন অপরাধীরা সুযোগ নিতে পারে। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকেই এ আতঙ্ক। তবে সব আতঙ্ক দূরে ঠেলে ঈদ উৎসব হোক সকলের জন্য নিরাপদ।


আরো দেখুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল ২০১৮ এবং ৩২ ধারা

উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদপত্রকে বিকল্প সংসদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংসদে রাষ্ট্রেীয় কাজকর্মের জবাবদিহি নিশ্চিত …

Loading Facebook Comments ...