চুয়াডাঙ্গায় এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্প ও মাস্টাররোল কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রকল্প ও মাস্টাররোল কর্মরত কর্মচারীরা চাকুরি জাতীয়করণের দাবিতে ১ ঘণ্টার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এসময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক জসিম উদদীন স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে চুয়াডাঙ্গা এলজিইডি কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মানিক শেখ, সাধারণ সম্পাদক সাগর আলী ও সদস্য মফিজ উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে মনজুরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, সোনিয়া জেসমিন, মো. সরোয়ার, এমদাদুল হক, সেগির হোসেন, আবুল কাশেম, রিনা খাতুন, মো. বসির, আফরোজা খাতুন, হাফিজুর রহমান, আলী হোসেন, মোছা. শারমিন, ফাতেমা সুলতানা, মোছা. বুলবুলি, মোছা. খুকু, আহম্মদ আলী, আশরাফুল ইসলাম, মো. আসাদ, তরুন কান্তি, শাহানাজ খাতুন ও মতিয়ার রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে ২৬ জন কর্মচারী বিভিন্ন প্রকল্প ও মাস্টাররোলে দীর্ঘ ২৫ থেকে ৩০ বছর যাবত কর্মরত আছেন। মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের রায় পেয়েছি। ইতোপূর্বে একই রায়ের আলোকে শতকরা ৫০ ভাগ জনবলকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। আর বাকি শতকরা ৫০ ভাগ জনবলকে চাকরি জাতীয়করণ না করে এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলী কালক্ষেপণ করছেন। তারা দীর্ঘ ৮-৯ মাস যাবত বেতন ভাতাদি পাচ্ছেন না। ফলে, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এসব কর্মচারীরা পরিবারকে দু’মুঠো ভাত ও লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছে না। তাই দেশের জাতীয় উন্নয়নের কাজের স্বার্থে সারা জীবন জড়িয়ে থাকার পরও নিজেদের জীবনের উন্নয়ন ঘটাতে পারছে না। ১৭ কোটি মানুষের মধ্যেমনি ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাদের চাকরি জাতীয়করণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে মাস্টাররোলে কর্মরত মালি আবুল কাশেম জানান, তার পরিবারে স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার ৪ ছেলে-মেয়েই স্কুলে লেখাপড়া করছে। অথচ, তাদের পড়া ও খাওয়ার খরচ দিতে পারছে না। দীর্ঘ ৮-৯ মাস যাবত বেতন-ভাতাদি পাচ্ছেন না। শুধুমাত্র গত ঈদুল ফিতরের সময় ৪ হাজার ২শ’ টাকা কর্তৃপক্ষ দিয়েছিলো। একই অবস্থা অন্যান্য কর্মচারীদেরও।


আরো দেখুন

আলমডাঙ্গার সাব রেজিস্টারকে অপসারণের দাবিতে দলিল লেখক সমিতি নিকট কলম বিরতি ও স্মারকলিপি প্রদান

আলমডাঙ্গা ব্যুরো: আলমডাঙ্গার সাব রেজিস্টারকে অপসারণের দাবিতে দলিল লেখক সমিতি নিকট কলম বিরতি ও স্মারকলিপি …

Loading Facebook Comments ...