মঙ্গলবার , সেপ্টেম্বর ২৫ , ২০১৮

প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছে মুজিবনগরের গৃহবধূ লাবনী

মেহেরপুর অফিস: প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছে মুজিবনগর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের গৃহবধূ এক সন্তানের জননী লাবনী খাতুন (২৫)। সরকারি চাকরিজীবী স্বামীর সংসার ছাড়লেও রেখে যায়নি ৩ বছরের পুত্র সাইফকে। সাথে নিয়ে গেছে ৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ প্রায় এক লাখ টাকা। ঢাকাতে কর্মরত সৈনিক ফারুক আহমেদের পিতা আজিজুল ম-ল মুজিবনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
জানা যায়, মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের আজিজুল হকের একমাত্র ছেলে ফারুক আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। তিনি ২০১১ সালে মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী গ্রামের ইসলাম জোয়ার্দ্দারে মেয়ে লাবনী খাতুনকে বিয়ে করেন। ৭ বছরের সংসার জীবনে তাদের সংসারে আসে এক পুত্র সন্তান। নাম রাখা হয় সাইফ। তার বয়স এখন সাড়ে ৩ বছর।
ফারুক আহমেদের প্রতিবেশী গোপালনগর গ্রামের ইসমাইল ম-লের ছেলে আসাদুজ্জামান ওরফে টুকা (৩০) মুজিবনগর উপজেলার কেদারগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী। বাজারের ফ্যাশান পয়েন্ট তার গার্মেন্টেসের দোকান। ফ্যাশান পয়েন্ট যাবার সুবাধে লাবনী খাতুন ও আসাদুজ্জামান ওরফে টুকার মধ্যে মন দেয়া-নেয়া শুরু হয়। ভালোবাসার ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে একে অপরকে কাছে পেতে চায়। তাই তো স্বামী ফারুক আহমেদের অনুপস্থিতিতে টুকার ইশারায় লাবনী সংসারের মায়া ত্যাগ করে বাবার বাড়ি যাওয়ার নামে গত রোববার ঘর ছাড়ে। তবে শ্বশুর খোঁজ নিয়ে দেখেন লাবনী যায়নি বাবার বাড়ি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি মুজিবনগর থানায় একটি জিডি করেন।
লাবনীর স্বামী ফারুক আহমেদ নিশ্চিত হয়েছেন- লাবনী ঘর ছাড়ার আগে তার একমাত্র ছেলে সাইফকে সাথে নিয়েছে। সাথে নিয়েছে ৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ প্রায় এক লাখ টাকা। টুকা ও লাবনী বর্তমানে এলাকা ছাড়া। তবে তারা এলাকায় রেখে গেছে মুখোরোচক প্রেম-কাহিনী।


আরো দেখুন

চুয়াডাঙ্গার শহীদ হাসান চত্বরের পরিচিত মুখ পান-বিড়ির দোকানি মুনতাজ আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গার শহীদ হাসান চত্বরের হাস্যজ্জ্বল সবার পরিচিত মুখ পান-বিড়ির দোকানি মুনতাজ আলী আর …

Loading Facebook Comments ...