বৃহস্পতিবার , অক্টোবর ১৮ , ২০১৮

গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে

স্বাস্থ্যসেবা যখন একটি লাভজনক বাণিজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তখন সরকারি পর্যায়ে এর মান দিন দিন নিচের দিকে নামছে। সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টার অন্ত নেই। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। নিয়োগ দেয়া হচ্ছে চিকিৎসক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেয়া হলেও শুধু মানসিকতার অভাবে অনেক স্থানে কাক্সিক্ষত সেবা পাচ্ছে না মানুষ। ফলে তাদের যেতে হচ্ছে কোনো না কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে, যেখানে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন সরকারি চিকিৎসকরাই। গতকাল দৈনিক মাথাভাঙ্গায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও তিন বছরে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এ হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স ও এক্স-রে সেবা। দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে পাঁচ চিকিৎসকের পদ। ফলে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে রোগীদের। একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব জায়গায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে সহজ সরল মানুষ। এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করছে অদক্ষ কর্মীরা। নেই প্রশিক্ষিত ও পূর্ণকালীন কোনো চিকিৎসক কিংবা নার্স। গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে সেখানে আধুনিক হাসপাতাল যেমন প্রয়োজন, তেমনি মানসম্পন্ন চিকিৎসকও দিতে হবে। আমাদের দেশের চিকিৎসকদের শুরু থেকেই রাজধানী বা শহরে থাকার প্রবণতা রয়েছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ করে কোনো লাভ হবে না। চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে গ্রামাঞ্চলে কাজ করতে হবে। তদারকির মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।


আরো দেখুন

মানুষের সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে

অসুখবিসুখসহ নানা কারণে দেশে প্রতিবছর যতো মানুষ মারা যায়, তার মধ্যে ২৮ শতাংশই মৃত্যু হয় …

Loading Facebook Comments ...