বৃহস্পতিবার , অক্টোবর ১৮ , ২০১৮

কবে তফশিল কবে ভোট

স্টাফ রিপোর্টার: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কবে তফশিল, কবে ভোট? এ নিয়ে রাজনীতিতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, তফশিল এখনো ঠিক হয়নি। এতে জনমনে প্রশ্ন আরও জোরালো। এসব বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আর বাকি ২০ ভাগ কাজ তফশিল ঘোষণার পরে করা হবে। তিনি জানান, ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে নির্বাচনী কাজের প্রস্তুতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।

ওই বৈঠকে সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হতে পারে কিনা এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, তফশিল ঘোষণা করার এখনো সময় আসেনি। কারণ তফশিল ঘোষণা করা হবে মূলত নির্বাচনী সময় গণনা শুরুর পরে তথা ৩০ অক্টোবরের পর। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা সেই অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করবো। তফশিল ঘোষণার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র কর্মকর্তারা বলেছেন, ৩০ অক্টোবর নির্বাচনকালীন সরকারের সময় শুরুর পরে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে চলতি অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের শুরুতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে ইসি। এর পরে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে তফশিলের সিদ্ধান্ত নেবে তারা। ডিসেম্বরের শেষ দিকে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান স্থির করে নভেম্বরের শুরুতে তফশিল ঘোষণা করা হতে পারে। ভোট গ্রহণের জন্য ২৭ ডিসেম্বর বা ৩ জানুয়ারি প্রাথমিক তারিখ চিন্তা করা হচ্ছে। তবে ২৭ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার বিষয়টি মিডিয়ায় আসায় নভেম্বরের শুরুতে তফশিল দিয়ে ২০ ডিসেম্বরও ভোট করার কথা ভাবছে কমিশন। সাধারণত তফশিল ঘোষণা থেকে ভোটগ্রহণ পর্যন্ত ৪৪-৪৭ দিন হাতে রেখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে ইসি। ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, প্রথম সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগে ৬০ দিন, দ্বিতীয় ৫৪ দিন, তৃতীয় ৪৭ দিন, চতুর্থ ৬৯ দিন, পঞ্চম ৭৮ দিন, ষষ্ঠ ৪৭ দিন, সপ্তম ৪৭ দিন, অষ্টম ৪২ দিন, নবম ৪৭ দিন ও দশম সংসদ নির্বাচনে ৪২ দিন সময় হাতে রেখে তফশিল ঘোষণা করেছিলো কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নূরুল হুদা কমিশনের সামনে। আর কমিশন যে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটের সম্ভাব্য সময় ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে কথা এর আগে বলেছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে ভোট করা হতে পারে। কোনো টাইম ফ্রেম নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে একটা সময় ধারণা করা হচ্ছে। যেহেতু ৩০ অক্টোবর আমাদের সময় শুরু হবে, এরপরই যে কোনো সময় তফশিল করার সুযোগ রয়েছে। আমাদের প্ল্যান ডিসেম্বরের মধ্যে করার। সচিব বলেন, গতবার ৫ জানুয়ারি ভোট হয়েছিলো। এখন তো ১ জানুয়ারি বই বিতরণ, একাডেমিক বর্ষ শুরু হয়। সাধারণত ডিসেম্বরের শেষে বন্ধ থাকে; স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়। তা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।


আরো দেখুন

চুয়াডাঙ্গায় সুধীজনদের সাথে মতবিনিময়সভায় নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস

  রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে ভালো কাজের দ্বারা জনগণের মনে থাকতে চাই স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা জেলা …

Loading Facebook Comments ...