আলমডাঙ্গার মাদারহুদায় খামারির ৩শ’ মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ

 

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: আলমডাঙ্গার মাদারহুদা গ্রামে খামারের ৩শ মুরগি মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। গত পরশু শুক্রবার রাতে খামারের বাঁশের বেড়া কেটে মুরগি মেরে ফেলার ঘটনা ঘটে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান খামার মালিক অহিদুল ইসলাম। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে এটা ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে অপরপক্ষ।

মাদারহুদা গ্রামের মৃত নূর বক্স ম-লের ছেলে খামার মালিক অহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত শুক্রবার রাতে বাড়ির পাশে মুরগি খামারের বাঁশের বেড়া কেটে ৩শ’ মুরগি মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। একই গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের ছেলে আফাজ উদ্দিনের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। অহিদুল ইসলাম বলেন, বাড়ির সামনে আমাদের শরিকানা ১২২ শতক জমি রয়েছে। আমার পিতাসহ ৪ চাচা ও ৫ ফুফুর জমি সমান বন্টননামা করে নিজ নিজ নামে রেকর্ড করা হয়েছে। আমাদের ভাগের নির্ধারিত সম্পত্তির উপর পোল্ট্রি ফার্ম ও ফসলি গাছ লাগিয়ে বর্তমানে সেখানে বসত বাড়ি নির্মাণের কাজ করছি। আফাজ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এঘটনায় গতকাল শনিবার আলমডাঙ্গা থানায় দু’পক্ষকে আপসের জন্য ডাকা হলেও অপরপক্ষ থানায় হাজির হননি বলে জানান অহিদুল ইসলাম।গ্রামসূত্রে জানা গেছে, অহিদুল ইসলামের তিন ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে ছোট চাচা সানোয়ার হোসেনের সাথে। গত ১০ মে জমি নিয়ে গোলযোগের সূত্র ধরে মারধরের ঘটনায় চাচা সানোয়ার হোসেন এখনও অসুস্থ।  সানোয়ারের একমাত্র ছেলে চাকরিসূত্রে আলমডাঙ্গায় বসবাস করেন। এমন পরিস্থিতিতে সানোয়ারের পক্ষে নাশকতা চালানোর দাবি অনেকটা অমুলক বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। এ ব্যাপারে আফাজউদ্দিন জানান, দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে শরিকানা জমিটি আমাদের দখলে ছিলো। গত ৩ বছর আগে জোরপূর্বক জমি দখল করে পোল্ট্রি ফার্ম নির্মাণ করেন অহিদুল ইসলাম। এছাড়া তারা শরিকানা পজিশন জমির তিনগুণ বেশি জবরদখল করে ভোগ করে আসছে। পজিশন জমির সমান ভাগ চাইতে গেলে আমাদের মারতে আসে। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা কোর্টে পিটিশন মামলা হয়েছে। বর্তমানে ওই জমি দখলে দু’পক্ষের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আদালতের আদেশ অমান্য করে উক্ত জমির উপর বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে বাধা প্রদান করি। এসময় অপর পক্ষের লোকজন আমার পিতাকে পিটিয়ে জখম করে। বর্তমানে আমাদের নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছে। মুরগি মেরে ফেলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটা ষড়যন্ত্রের একটা অংশ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More