স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দুটি মামলায় চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার বিজ্ঞ বিচারক মো. শাজাহান আলী জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, জিআর-৪৯/২২ (আলমডাঙ্গা) মামলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারপিট ও জখমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজনকে সাজা দেয়া হয়। এর মধ্যে মো. বাবুল মন্ডল (৫৮) ও মারফত আলীকে (৩২) দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় ২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩নং আসামি মো. আব্দুর রহমানকে (৫০) ৩২৩ ধারায় ৬ মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে তাকে সমাজসেবা কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে প্রবেশনে রাখা হয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালে আলমডাঙ্গার হাউসপুর গ্রামে ৫১০ টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দিপু নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র ও রড দিয়ে কুপিয়ে জখম করে আসামিরা। এদিকে, জিআর-১২৫/২২ (দর্শনা) মামলায় ৩২৫ ধারায় ১নং আসামি মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে নান্না খানকে (৩৮) ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। অনাদায়ে তাকে আরও ৬০ দিন জেল খাটতে হবে। মামলার বিবরণে প্রকাশ, ২০২২ সালের ১ জুন দর্শনার সিএন্ডবি পাড়ায় নার্সারির চারা গাছের বকেয়া টাকা চাওয়ায় সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির পিতাকে লোহার সাবল দিয়ে পিটিয়ে হাড়ভাঙা জখম করে আসামি। রায়ের সময় এই আসামি পলাতক ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অপর এক আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। সরকার পক্ষে মামলাগুলো পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের এপিপি। বিজ্ঞ বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, সামাজিক শান্তি রক্ষা ও অপরাধ দমনে এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.