দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে রাতারাতি দোকান বসানোর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পেছনে গত কয়েক সপ্তাহ পূর্বে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমানের নেতৃত্বে সরকারি খাস জমি উদ্ধার অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং ১৫ জনকে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হলেও। আব্দুস সামাদের বসবাসকৃত বাড়ির পাশে ৪জন অবৈধ দখলদার এখনও তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেননি। উচ্ছেদ অভিযানের কয়েকদিন পরই মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে উপজেলা প্রশাসনকে থোড়ায় কেয়ার করে আমরা ক’জন সাংস্কৃতিক সংগঠন নামের ক্লাবের অবৈধ দখলকৃত জমিতে রাতারাতি দোকান বসায় কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ার কদম আলীর ছেলে ইসমাইল।
গোপনসূত্রে জানা গেছে, একটি পক্ষ ইসমাইলের কাছে পজেশনটা মোটাঅঙ্কের টাকা নিয়ে বিক্রি করেছেন। এ ঘটনায় কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ার ইদ্রিস আলীর ছেলে ফজলুর রহমান গত পরশু মঙ্গলবার দামুড়হুদা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। ফজলুর রহমানের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে তিনি স্ত্রী-পুত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে রাস্তার ওপারে বসবাস করে আসছেন। ক্ষমতার দাপটে তার বসবাসকৃত ভিটার কার্পাসডাঙ্গার শামিম জায়গা দখল করে ক্লাব তৈরি করে। সরকারি জমি ক্লাবের নামে দখল করে আসছে। এই ক্লাবের কোনো কার্যক্রম নেই। এদের কাজ সরকারি জমি দখল করে তার পজেশন বিক্রি করা ও ভাড়া দেয়া। গত ২৯ জানুয়ারি ভূমিদস্যুরা ১নং খতিয়ানে ১৪৮১ দাগের একটি দোকানের পজেশন বিক্রি করে। অভিযোগপত্রে ভূমিদস্যু হিসাবে কার্পাসডাঙ্গার মোশারফ হোসেনের ছেলে শামীম চৌধুরী, কার্পাসডাঙ্গা বাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল বিশ্বাস মিঠু, কদম আলীর ছেলে ইসমাইলের নাম উল্লেখ করেন। দোকান বসানোর কারণে তার বাড়ি থেকে বের হবার রাস্তা নেই উল্লেখ করে তিনি উপজেলা (ভূমি) কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এলাকাবাসীর অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, কার্পাসডাঙ্গার ভূমি দস্যুরা কি প্রশাসনের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর। না হলে উচ্ছেদ অভিযানের কয়েকদিন পরেই সেই এলাকায় কিভাবে রাতারাতি জমি দখল করে দোকান বসানো সম্ভব। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মি. সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, লিখিত অভিযোগের কথা স্বীকার বলেন আমার ঢাকাতে প্রশিক্ষণ চলছে; বিষয়টি আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান আমি শুনেছি। সরকারি জমি দখল করে কোনো কিছু নির্মাণ করার ক্ষমতা কাউকে দেয়নি। ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত এ অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More