কুষ্টিয়ায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু : শনাক্ত ১১৯

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলায় ৩২৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজন মারা গেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরও জানা যায়, বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোয় রোগী ভর্তি আছেন ১৩৫ জন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ১০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১৭ জন। অন্যান্য উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ১৮ জন ভর্তি আছেন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলার দুজন এবং খোকসা, কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলায় একজন করে রয়েছেন। তাদের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পুরো জেলায় চলছে কঠোর লকডাউন চলছে। মানুষকে ঘরে রাখতে সোমবার ভোর থেকেই মাঠে তৎপর রয়েছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজ সকাল থেকেই কুষ্টিয়া শহরের প্রবেশমুখে আটটি স্থানে পুলিশ সদস্যদের কড়া পাহারা চলছে। জেলায় সব ধরনের (অত জরুরি সেবা বাদে) যানবাহন বন্ধ রয়েছে। মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাচ্ছেন। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ৬ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসি ল্যান্ডসহ জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠেই আছে। করোনা প্রতিরোধের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। জেলার মানুষের কল্যাণের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কঠোর লকডাউনের দুই দিনে তেমন কোনো ভালো ফল আসবে না। এখনকার লকডাউনের ভালো ফল এক সপ্তাহ পর আসে।’

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More