মামলা সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বৈধ হলেন তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী

চুয়াডাঙ্গার তিতুদহ ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই সম্পন্ন

বেগমপুর প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। যাচাই বাছাইকালে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীরই ছিলো আদালতের মামলা সংক্রান্ত জটিলতা। তবে শেষ পর্যন্ত তার অবসান ঘটিয়ে যাচাই বাছাই শেষে চূড়ান্ত বৈধতা ফিরে পেয়েছেন তারা। এদিকে যাচাই বাছাইকালে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ত্রুটি থাকায় কেউ কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তোলা থেকে বিরত থাকেন। অপর দিকে নির্বাচন নিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি প্রার্থীদের সামনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, তিতুদহের নির্বাচন হবে অন্যরকম। যা হবে আস্থা এবং বিশ্বাসের।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য ৪৪ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১০ পদেসহ ৫৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করে ছিলেন। গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীদের উপস্থিতিতে চলছে যাচাই বাছাই। যাচাই বাছাইকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাকের ব্যাপারে পুলিশের কাছে কোনো নেতিবাচক তথ্য না থাকলেও আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী তিতুদহ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি শুকুর আলী, সদর উপজেলা আ.লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান টিপু, অপর আ.লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেনের (জেলে) ব্যাপারে পুলিশের নিকট ছিলো আদালতের মামলা সংক্রান্ত নানা তথ্য।
যা উপস্থাপনা করেন দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আহম্মেদ বিশ্বাস। তাদের মনোনয়ন আটকে গেলে প্রার্থীরা মামলা সংক্রান্ত বর্তমান তথ্য সরবরাহ করেন। একপর্যায় নির্বাচন কমিশন আইনি বিষয়টি পর্যালচনা করে বিকেল ৫টার দিকে ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য এবং সাধারণ সদস্য প্রার্থীদের মনোনয়পত্র বৈধ বলে ঘোষণা দেন। ফলে তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৫৮জন প্রার্থী বৈধ প্রার্থী হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের পূর্বে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহম্মেদ প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে কোনো কিছু পুষে থাকলে তা ভুলে যান। ভোটারদের ভোট নিয়েই নির্বাচিত হতে হবে জনপ্রতিনিধিদের। আপনারা অসহযোগিতা করলে আমরা কঠোর হতে বাধ্য হবো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে গেলে নির্বাচন বাতিল করতে বাধ্য হবো। তা দেখতে ৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ এবং গণনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে তিতুদহ ইউনিয়নবাসীকে। উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান, দর্শনা থানার ওসি এএইচএম লুৎফুল কবির প্রমুখ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More