মালয়েশিয়ায় মাটিচাপায় গাংনীর রুহুল আমিন’র মৃত্যু : মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার

 

স্টাফ রিপোর্টার: ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিন বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী গ্রামের রুহুল আমিন (৩৮)। স্ত্রী ও তিন ছেলে মেয়ের ভরণপোষণ দেশে চায়ের দোকান চালিয়ে না হওয়ায় বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আগামী কোরবানির ঈদে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু দেশে ফিরবে রুহুল আমিনের মরদেহ। দারিদ্রতা ঘোচাতে গিয়ে সংসার নামের বোঝা রেখেই চলেই গেল না ফেরার দেশে। তিনি ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কাজ করা অবস্থায় মাটি চাপা পড়ে মারা যায়। শুক্রবার সকালে মালেশিয়ার জহুর বারু ডিসটিক এর পাহাং এ কাজ করা অবস্থায় মাটি চাপা পড়ে তিনি ঘটনা স্থানেই মারা যান। পরে তার লাশ জহুর বারু ইমিগ্রেশন বিভাগের পুলিশ পাহাং এর মর্গে নিয়ে যায়। নিহত প্রবাসী রুহুল আমিন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী গ্রামের পুকুরপাড়ার মৃত বয়েন উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করছিল রুহুল আমিন। হঠাৎ শুনতে পায় কাজ করতে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে মারা গেছে। এ কথা শুনে পরিবারের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। বাগরুদ্ধ সবাই কিন্তু কিছুই করার নেই, মৃত্যু চিরন্তন সত্য। স্থানীয়দের এখন একটাই চাওয়া তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরে আসুক। বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, নিহত রুহুল আমিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাকে দ্রুত দেশে আনার জন্য যে সকল কাগজপত্র লাগবে সেগুলো ব্যবস্থা করছি। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন জানান, তার বৈধ কাগজপত্র থাকলে সরকারি যে সুবিধা পাওয়ার কথা সেগুলোর ব্যাপারে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More