নিখোঁজের ৫৩ দিন পর কারাগারে সাংবাদিক কাজল!

মাথাভাঙ্গা অনলাইন:  দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ফটোসাংবাদিক ও দৈনিক পক্ষকালের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাংবাদিক কাজলকে অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন দেয়া হলেও পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

রোববার বিকেলে যশোরের শার্শা আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।  নিখোঁজের ৫৩ দিন পর শনিবার গভীর রাতে যশোরের বেনাপোলের সাদীপুর সীমান্তের একটি মাঠ থেকে ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে উদ্ধার করা হয়। রোববার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের মামলায় তাকে জামিন দেন আদালত। তবে, রাজধানীর তিনটি থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা থাকায় তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। আদালত সেটি মঞ্জুর করেন। পরে সাংবাদিক কাজলকে যশোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

যশোর আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এএসআই সুবোধ ঘোষ জানান, বিজিবির দায়ের করা অনুপ্রবেশের মামলায় সাংবাদিক কাজলকে জামিন দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত। পরে পুলিশের ৫৪ ধারার মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন একই আদালত।

কাজলের আইনজীবী দেবাশীষ দাসকে উদ্ধৃত করে তার সহকারী শিক্ষানবিস আইনজীবী সুদীপ্ত ঘোষ জানান, পুলিশ কাজলের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা (বিজিবির রুজু করা) ছাড়াও রাজধানীর তিনটি থানায় আরও তিনটি মামলা থাকার কথা উল্লেখ করে পুলিশ। এই তিনটি মামলাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে। গত ৯, ১০ ও ১১ মার্চ মামলা তিনটি হয় শেরেবাংলা নগর, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গির চর থানায়। আদালত এই মামলা তিনটি সম্বন্ধে কোনও আদেশ দেননি।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল গত ১০ মার্চ সন্ধ্যায় দৈনিক পক্ষকাল অফিস থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন ১১ মার্চ চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসী নয়ন। পরে গেল ১৮ মার্চ রাতে কাজলকে অপহরণ করা হয়েছে অভিযোগ এনে চকবাজার থানায় মামলা করেন তার ছেলে মনোরম পলক।

####জহির

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More