রাজিবের করোনাতঙ্কে করণীয়’ শীর্ষক বই

যতোই মাস্ক পরে ঘুরে বেড়ান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করেন আর বহিরাগতদেরকে (বিশেষত শ্রমজীবী শ্রেণির দরিদ্র মানুষ) আপনার বাড়িতে কিংবা অফিসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন না কেন, শেষমেশ একটি মানুষও করোনা ভাইরাসের কবল থেকে নিজেকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রাখতে পারবেন না! করোনা এমন এক অদেখা শত্রু- যে আজ অথবা কাল প্রত্যেকটি মানুষকে ছুঁয়ে যাবেই। কোনোভাবেই এর থেকে নিজেকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ রাখা সম্ভব নয়।
করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে এমন অনেক ভিআইপি মানুষ আমাদের মাঝ থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়েও যাদের কাছাকাছি পৌঁছুনো ছিলো দুরূহ; আর করোনাকালে তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু কোনো দেহরক্ষী বা গানম্যান তাদেরকে সেই প্রটেকশন দিতে পারেনি; করোনা ভাইরাস ঠিকই তাদের ফুসফুসে পৌঁছে গেছে! অথচ দেখুন- রাস্তার পাশের বস্তিতে গাদাগাদি করে থাকা শ্রমজীবী মানুষগুলো- যাদের একটা মাস্ক কেনার মতো পয়সাও নেই, তারা কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন না বা হলেও বোঝার আগেই দ্রুত সেরে উঠছেন। কারণ ঘর্মাক্ত মানুষের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বভাবতই বেশি।
যে জীবাণু খালি চোখে দেখা যায় না অর্থাৎ দৃশ্যমান নয়, তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান যতো ব্যবস্থাই গ্রহণ করেন না কেন- সবই সাময়িক সান্ত¡না বৈকি কিছুই নয়। শেষ পর্যন্ত করোনার কবল থেকে কারোরই রেহাই মিলবে না। সবাইকেই কম অথবা বেশি আক্রান্ত হতে হবে। সুতরাং অদৃশ্য জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিততে হলে দৃশ্যমান নয়- এমন প্রতিরোধ ব্যবস্থাই গড়ে তুলতে হবে, যার নাম ইমিউন সিস্টেম। এর একমাত্র উৎস প্রকৃতি আর সমাধান প্রাকৃতিক চিকিৎসা- যা আপনি ঘরে বসে নিজে নিজেই করতে পারেন।
আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ পাঠাননি, যার নিরাময়ের ব্যবস্থা রাখেননি। মানুষের দায়িত্ব নিজের বিবেক-বুদ্ধি খাটিয়ে প্রকৃতি থেকে সেই সমাধান খুঁজে নেয়া। সব ওষুধ আছে প্রকৃতিতে; আপনার সুস্থতা আপনারই হাতে! কিন্তু আমরা সে পথে না হেঁটে এখনো ডাক্তার ও হাসপাতালের পেছনে ছুটছি আর কবে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে- তার পথ চেয়ে বসে আছি!
আমাদের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা যে রীতিমতো স্বাস্থ্য-ব্যবসায় রূপ নিয়েছে, চোখের সামনে অসংখ্য জলজ্যান্ত প্রমাণ পাওয়ার পরও কারো হুঁশ হচ্ছে না। করোনা-সঙ্কটে চিকিৎসা-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহযোগিতা পাওয়ার আশা নেই, বরং হয়রানি ও অর্থনাশের আশঙ্কাই প্রবল।
এখনো সময় আছে; নিজেকে বদলান, টেনে ধরুন মুখের লাগাম। কিভাবে বদলাবেন, জানতে ও বুঝতে চাইলে এই বইটি সব সময় হাতের নাগালে রাখুন। কেউ যদি বইটি পড়ে বর্ণিত নির্দেশনাগুলো পুরোপুরি মেনে চলেন, ঘটনাচক্রে করোনা ভাইরাস তার শরীরের ঢুকে পড়লেও তেমন কোনো ক্ষতিসাধন করতে পারবে না!
গায়ে সামান্য জ্বর এলে অথবা গলায় খুশখুশ কাশি হলে তো ঠিকই হাসপাতালে দৌড়াবেন, ওষুধ কোম্পানির হাতের পুতুল ( paid agent) ডাক্তারদের লিখে দেয়া গাদাগাদা ওষুধ কিনে খাবেন (সঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ফ্রি), কিন্তু এই মুহূর্তে অতীব দরকারি এই বইটি পড়ে প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থ থাকার কৌশলগুলো রপ্ত করবেন না। সেক্ষেত্রে আপনি যত টাকা আর ক্ষমতার মালিকই হোন না কেন, করোনা ভাইরাস ধরলে কিন্তু বাঁচার আশা ক্ষীণ!
করোনা ভাইরাসের কবল থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে আজই ‘করোনাতঙ্কে করণীয়’ বইটি সংগ্রহ করুন। বিস্তারিত জানতে রহনড়ী করতে পারেন অথবা ০১৮১৭১৮০১৮৮ নম্বরে সরাসরি কথা বলুন। – বিজ্ঞাপন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More