চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন অ্যাড. মানি খন্দকার

দোয়া ও সমর্থন কামনা

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এই নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট খন্দকার অহিদুল আলম (মানি খন্দকার) নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। উচ্চশিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের এই নেতাকে ঘিরে ইতিমধ্যে পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাডভোকেট মানি খন্দকার চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পলাশপাড়ার (বর্তমানে সবুজ পাড়া) এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাবেক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মরহুম খন্দকার নাঈমুল কাদিরের মেজো ছেলে। তার পারিবারিক ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ; তার দাদা বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালক মরহুম খন্দকার নাজমুল আলম এবং দাদী বাংলাদেশ শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক মরহুমা জোবেদা খানম। তার বড় চাচা মরহুম খন্দকার ফজলুল কাদির ছিলেন হাইকোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী এবং শ্বশুর অ্যাডভোকেট মহা. শহীদুল ইসলাম-১ চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের বিশিষ্ট সিভিল ল-ইয়ার। ১৯৮৭ সালে ছাত্রদলে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত খুলনার রাজপথে তিনি ছিলেন তারুণ্যদীপ্ত এক তেজস্বী ছাত্রনেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন এবং কারাবরণ করেছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের সময় তিনি পৌর কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চুয়াডাঙ্গা জেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং জেলা বিএনপির সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে তিনি জোরালো ভূমিকা পালন করেন। আইন পেশার পাশাপাশি ২০০৪ সালে তিনি ‘মানবতা ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলায় যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় বা নারী-শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, সেখানেই তিনি আইনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১১ সালে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানের হাত থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশ-এর জেলা সেক্রেটারি। অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স করার পর তিনি এলএলবি সম্পন্ন করেন। আইন পেশায় আসার আগে তিনি ‘লকপুর ফিশ প্রসেসিং কোম্পানি’ এবং ‘আইটিসিএল’ এর এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি)। এর আগে তিনি তিনবার যুগ্ম-সম্পাদক পদে বিজয়ী হন। এছাড়াও তিনি বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারের একজন তালিকাভুক্ত গীতিকার এবং আশির দশকে কুষ্টিয়ার সাপ্তাহিক ‘ইস্পাত’ পত্রিকায় সাংবাদিকতাও করেছেন। অ্যাডভোকেট মানি খন্দকার বলেন, ‘মাদক নির্মূলে ক্রীড়াঙ্গণ করো উজ্জীবিত’ এই সেøাগানকে সামনে রেখে আমি যুবসমাজকে নিয়ে কাজ করছি। আল্লাহর রহমতে জয়ী হলে আমি মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত এক নান্দনিক চুয়াডাঙ্গা গড়তে চাই। একটি পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভা গঠনই আমার মূল লক্ষ্য। তিনি তার নির্বাচনি যাত্রায় চুয়াডাঙ্গা পৌরবাসীর আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More