হাসাদাহ প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নের আলোচিত ঘুসিপাড়ায় অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকাকালীন এক যৌনকর্মী ও খদ্দেরসহ বাড়ির মালিকের স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এলাকাবাসী তাদের হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসাদাহ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঘুসিপাড়ার মৃত জলিল সদ্দারের ছেলে মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী শুকতারা বেগম দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী এনে দেহব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গতকাল দুপুর ২টার দিকে খুলনা শিরোমণি এলাকা থেকে লিপি খাতুন (৩৫) নামে এক নারী চুক্তিতে ওই বাড়িতে আসেন। একই সময়ে মহেশপুর উপজেলার সস্তা গ্রামের মাহবুবর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩৮) খদ্দের হিসেবে সেখানে প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় জনতা মিজানুরের বাড়িতে হানা দেয় এবং ঘরের ভেতর আপত্তিকর অবস্থায় লিপি ও খলিলুরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের দুজনকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে আটকে রাখে। বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী শুকতারা বেগম গণপিটুনির ভয়ে ঘরের ভেতর নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে হাসাদাহ পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আহসান হাবিব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা লিটনসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মিজানুর ও তার স্ত্রী শুকতারা দীর্ঘদিন ধরে এই অসামাজিক ব্যবসা চালিয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। আমাদের এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। কেউ এর প্রতিবাদ করলেই তাদের মিথ্যা মামলা ও নানাভাবে হয়রানির ভয় দেখানো হয়।’ এলাকাবাসী এই চক্রের মূলহোতা মিজানুর রহমানসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। জীবননগর থানা পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
পূর্ববর্তী পোস্ট
গাংনীর হেমায়েতপুরে পুলিশের উপস্থিতিতেই মিলছে চড়া দামের ডিজেল
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.