চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫ : আতঙ্কে অভিভাবকরা

 

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৫ রোগীর মধ্যে ২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হলেও বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৩ জন। একদিকে ১৮ মাস ধরে টিকা সংকটে হামের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা, অন্যদিকে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া ও ত্বকে ফুসকুড়ির প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে একে হামের সংক্রমণ বলা যাচ্ছে না। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীরা হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ এলাকার ৮ মাস বয়সী শিশু লিয়া ও ১০ মাস বয়সী শিশু জনি এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দেউলী গ্রামের বাসিন্দা আজগর আলী (৬২)। এদিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, ত্বকে ফোড়া এবং হাত-পায়ে ফুসকুড়ি দেখা দেয়ার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। এতে করে হামের সম্ভাব্য সংক্রমণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস ধরে দেশে হামের টিকার সংকট থাকায় এই রোগের ঝুঁকি অনেকটা বেড়েছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৩ জন এখনো চিকিৎসাধীন। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে একে হামের সংক্রমণ বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গায় নিশ্চিতভাবে কোনো হামের রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক রোগীদের ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন উপসর্গ রয়েছে এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদারকি করছে। পরীক্ষায় হামের সংক্রমণ শনাক্ত হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More