ঝিনাইদহ-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দ ‘কাঁচি’ কিন্তু পোস্টাল ব্যালটে এসেছে ‘কাস্তে’

বাজার গোপালপুর প্রতিনিধি:ঝিনাইদহ-১ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন মোঃ সহিদুল এনাম পল্লব মিয়া। যাচাই-বাছাই শেষে গত ২১ জানুয়ারি বৈধ প্রার্থী হিসেবে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা তাকে দলীয় প্রতীক ‘কাঁচি’ বরাদ্দ দিয়েছেন। কিন্তু এই আসনের পোস্টাল ব্যালটে তার নামের পাশে প্রতীক এসেছে ‘কাস্তে’।

ঝিনাইদহ-১ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেন ৪ হাজার ৬০ জন। বিএনপি, জামায়াতা, জাতীয়পার্টি, এবি পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্তিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থীসহ মোট ৫জন প্রার্থী এই আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতোমধ্যে আবেদনকারীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ভোট দিয়ে ব্যালট পেপার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে দায়িত্বে অবহেলা নাকি মূদ্রণজনিত ভুলে এমন হয়েছে? প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এই আসনে পাঠিয়ে দেওয়া পোস্টাল ব্যালট পেপার কি করা হবে।
মোঃ সহিদুল এনাম পল্লব মিয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত রয়েছেন যারা ঝিনাইদহ-১ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এমন কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে জানান পোস্টাল ব্যালটে আমার নামের পাশে কাঁচি প্রতীকের পরিবর্তে কাস্তে প্রতীক এসেছে। এটা তাদের দায়িত্বে অবহেলা না ভুল বুঝতে পারছি না। আমি বিষয়টি নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তারা কি ব্যবস্থা নেয় দেখি।
তিনি বলেন, অনেকেই ইতোমধ্যে ভোট দিয়ে ব্যালট পেপার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই আসনের সব ব্যালট পেপার বাতিল করে নতুন করে আবার না পাঠালে সমস্যার সমাধান হবে না। নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে আইনী ব্যবস্থা নেব।
ঝিনাইদহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। এটা মূদ্রণ জনিত সমস্যা না কি কারণে হয়েছে বুঝতে পারছিনা। তবে ইতোমধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া ব্যালট পেপারগুলি নিষ্কৃয় করা হবে। এগুলো বাতিল করে নতুন ব্যালট পাঠানো হবে।
তবে এই আসনে বেশ কিছু প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। তারা ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার হাতে পেয়ে ভোট দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাদের কাছে এই আসনের সংশোধিত ব্যালট পেপার পাঠানো সম্ভব হবে কিনা বা ভোট প্রদান করে তাদের পাঠানো ব্যালট পেপার নির্বাচন কমিশনের হাতে সঠিক সময়ে আসবে কিনা এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই প্রশ্নে রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। ভোটের এখনো বাকি আছে, আমরা এর মধ্যে করে ফেলতে পারবো।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More