দামুড়হুদা অফিস: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর কুলবিলা নামক স্থানে সংযোগ সড়ক না করেই ১৮মিটার দৈর্ঘ ৭.৩ মিটার প্রস্থ সেতু নির্মাণ করা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ভারী যানবাহনসহ বিভিন্ন ধরনের যান চলাচল করে।এই সড়ক দিয়ে আলুকদিয়া হয়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর ও হাটকালুগন্জ ভায়া দর্শনা –যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে সাধারণ মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সুত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টম্বর ২০২৩সালে ওই কাজের টেন্ডার হয়। টেন্ডারে কাজ পায় অন্য পূর্ণা ঠিকাদার ইন্টারপ্রাইজ। কাজের ওয়ার্ক অর্ডার হয় ৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।কাজের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয় ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪সালে।ঠিকাদার সোহরাব হোসেন, ইতোমধ্যে সেতুর মূল নির্মাণকাজ সম্পন্ন করলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না।ফলে মেইন সড়ক অনেক উচু হওয়ায় সেতুর পাশের নিচু সরু ডায়ভাষন সড়ক দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন সহ সাধারন মানুষ এতে প্রায় সময় ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।ওই সড়ক ব্যবহারকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই গ্রামের নাসির উদ্দীন বলেন, ওই সড়ক দিয়ে এলাকার লোকজন ও ভারী যানবাহনসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে থাকে সেতুর কাজ ৬-৭মাস আগে শেষ হলেও তা কোন কাজে আসছে না।দুই মুখের সংযোগ সড়ক নির্মান না হওয়ার পাশের ডায়ভাসন সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।মেইন সড়ক অনেক নিচু হওয়ায় ডায়ভাষন সড়ক দিয়ে যাতায়াতের প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া ও অনেক যানবাহন অনেক ঘুরে অন্য রাস্তা হয়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কে উঠছেন এতে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন।একই গ্রামের আব্দুল মান্নান মানা বলেন,সেতুটির কাজ সম্পন্ন হলে ও তার দুই মুখে সংযোগ সড়ক না করার কারনে কোন কাজে আসছে না। আমাদের অনেক রাস্তা ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে আর কিছু দিনপর মাঠের ফসল উঠা শুরু হবে।সংযোগ সড়ক না হলে মাঠের ফসল তোলা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে।২-৩ মাইল রাস্তা ঘুরে আলুকদিয়া মোড় হয়ে ফসল আনতে হবে।পাশে খাল থাকায় বর্ষা মৌসুম শুরু হলে পাশের ডায়ভাসন সড়ক ডুবে গেলে চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে।এ বিষয়ে ঠিকাদার সোহরার হোসেন বলেন, “সংযোগ সড়কের স্থান অনেক উঁচু এবং নিচে পানি থাকায় কাজ করা সম্ভব হয়নি।পানি শুকিয়ে গেছে।দু-এক দিনের মধ্যেই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হবে এবং দ্রুত শেষ করার আশা করছি।দামুড়হুদা উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হাসান বলেন, “ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হবে।না হলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে বর্ষা শুরু হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল একেবাওে বন্ধ হয়ে যাবে। এতে চরম ভাবে দুর্ভোগ বাড়বে ওই সড়কে চলাচল কারী হাজার হাজার মানুয় সহ চলাচলকারী যানবাহন গুলোর।
পূর্ববর্তী পোস্ট
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.