স্টাফ রিপোর্টার:তাসকিন আহমেদের আগুনে বোলিংয়ে চোখে সর্ষেফুল দেখেছেন ডাচরা। শুরুতেই দুই ওপেনারকে তুলে নিয়ে তাদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন বাংলাদেশের এই গতিতারকা। সে ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। তাতে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৬ রানেই থামতে হয়েছে ডাচদের।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। শরিফুল ইসলামকে এক ওভারে তিন চার এবং মেহেদী হাসানকে বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে ডাচদের উড়ন্ত শুরু এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ডাচ ওপেনার ম্যাক্স ও’ডোড। তবে তাসকিনের বলে ঠিকঠাক সংযোগ না করতে পেরে জাকের আলীর ক্যাচ হয়ে ফেরেন ১৫ বলে ২৩ রান করা এই ব্যাটার।
অন্য ওপেনার বিক্রমজিত সিং (৪) তেড়েফুঁড়ে খেলতে গিয়ে তাকিনের বলেই বাউন্ডারিতে ইমনের ক্যাচ হয়েছেন।
৩৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারানোর পর তিনে নামা তেজা নিদামানুরুকে নিয়ে জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন ডাচ দলপতি স্কট এডওয়ার্ডস। তৃতীয় উইকেটে ১৫ বলে ২৮ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা অনেকটা সামলেও নিয়েছিলেন।
কিন্তু প্রায় দুই বছর পর টি-টোয়েন্টি একাদশে সাইফ হাসানের যে তখন ম্যাজিক দেখানো বাকি। দশম ওভারে লিটন তার হাতে বল তুলে দিতেই এডওয়ার্ডস (১২) এবং নিদামানুরুকে (২৬) সাজঘরের পথ দেখান তিনি।
সাইফের জোড়া শিকারের পর আর ব্যাট হাতে পথ খুঁজে পায়নি ডাচরা। নিজের কোটার শেষ দুই ওভারে আরও ২ উইকেট ঝুলিতে পোরেন। ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে বল হাতে বাংলাদেশের মূল নায়ক তিনিই। একটি উইকেট শিকার করেছেন আরেক পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.