কৃষককে বাঁচাতে খাল খনন ও পুনরুদ্ধারের বিকল্প নেই

আলমডাঙ্গায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী

আলমডাঙ্গা ব্যুরো: আলমডাঙ্গায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (এ্যানি) বলেছেন, ‘কৃষক ও কৃষি উৎপাদনকে রক্ষা করতে হলে নদী-খাল খনন ও পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খাল দখল ও অনিয়মের ক্ষেত্রে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। যারা অবৈধভাবে খাল দখল বা আবাদ করে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল শনিবার বিকেলে আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের ইছেরদাড়ী মোড়ে এক কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই উন্নয়ন কাজের শুভ সূচনা করেন। সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো সংস্কার ও পুনঃখনন না হওয়ায় শুধু চুয়াডাঙ্গা নয়, সারা দেশে সেচব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মরসুমে পানির অভাবে কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খাল খনন কর্মসূচি একটি বৃহৎ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ছিল। সেই অসমাপ্ত কাজগুলো বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করছে। এটি গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইরিগেশন খাল। মন্ত্রী বলেন, ‘খাল খনন কর্মসূচি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেমন সরাসরি উপকৃত হবেন, তেমনি ভবিষ্যতেও এর সুফল ভোগ করবেন। খাল কাটা কর্মসূচি ছিল সুদূরপ্রসারী একটি পরিকল্পনা। একটি পরিবার আত্মনির্ভরশীল হওয়া, একটি ব্যক্তি আত্মনির্ভরশীল হওয়া এবং সর্বোপরি একটি দেশকে স্বনির্ভর করে তোলা-এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পূর্বে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছিল। এটি শুধু একটি উন্নয়ন কার্যক্রমই ছিল না, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। খাল খনন কর্মসূচি নিজে উপস্থাপন ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সে সময় এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছিল। এই কর্মসূচির ফলাফল ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও দৃশ্যমান। তিনি বলেন, কৃষিনির্ভর এই দেশে খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে এই কর্মসূচি যখন শুরু হয়েছিল, তখন এটি সাধারণ মানুষের কাছে একটি বড় চাহিদায় পরিণত হয়েছিল। মানুষ বারবার প্রশ্ন তুলত—কেন খাল খনন হচ্ছে না, কেন এই উদ্যোগ বন্ধ হয়ে গেল? দীর্ঘদিন খাল খনন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আজ আমরা এর ভয়াবহ পরিণতি দেখতে পাচ্ছি। খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে, পলি জমে নাব্যতা হারিয়েছে। অনেক জায়গায় খাল দখল করে মাটির বাঁধ দিয়ে চাষাবাদ হচ্ছে, কোথাও দোকানপাট, কোথাও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। এমনকি কোথাও কোথাও সরকারি স্থাপনাও খালের জায়গায় নির্মিত হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রায় ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়েছে—যা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। আমরা আশা করি, যথাযথভাবে এই খাল খনন সম্পন্ন হলে খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং মানুষের উপকারে আসবে, ইনশাআল্লাহ। এই প্রকল্পে যে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে-ধরা যাক প্রায় চার কোটি টাকা তার একটি অংশ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যয় হবে এবং একটি বড় অংশ শ্রমনির্ভর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি ৪০-৫০ শতাংশ কাজ শ্রমনির্ভর পদ্ধতিতে করা হয়, তাহলে স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে, গ্রামে টাকা প্রবাহ বাড়বে। আলমডাঙ্গা বা বেলগাছি ইউনিয়নের মতো এলাকায় এই অর্থ ব্যয় হলে স্থানীয় মানুষের আয় বাড়বে, বাজার সচল হবে। অন্যদিকে, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জমির উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আরও বলেন, একটি খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হয়-তা আমরা বাস্তবেই দেখেছি। এই কর্মসূচির সুফল শুধু তাৎক্ষণিক নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশ-সবখানেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। দূরদর্শী চিন্তা ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। তার এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল-গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং দেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নেয়া। তার এই কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ এক সময় স্বনির্ভরতার শক্ত ভিত পেতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে দেশনায়িকা খালেদা জিয়া নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। একজন সাহসী ও দৃঢ়চেতা নারী হিসেবে তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে বারবার নিজের স্বার্থকে উপেক্ষা করে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছ চাষ সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে এসেছে। একটি খালকে কেন্দ্র করে নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার মাধ্যমে যে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব-এই কর্মসূচি তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। বর্তমানে এই খাল খনন কর্মসূচি আবারও মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হয়ে উঠেছে। আন্দোলন ও গণদাবির প্রেক্ষিতে এই বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। রাজনীতির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান-এর মতো নেতৃবৃন্দও এই কর্মসূচির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এটিকে পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তারাও বিশ্বাস করেন, এই জনপ্রিয় কর্মসূচিকে ফিরিয়ে এনে গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রামবাংলার উন্নয়নে কাজ করেছিলেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করেই বর্তমান নেতৃত্বও গ্রামীণ জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়ে যায়—সেটি আমাদের সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা, নাকি উদ্বোধনের পর থেমে গেছে-সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা অতীতে দেখেছি-অনেক প্রকল্প উদ্বোধন হয়েছে, কিন্তু কাজ বাস্তবায়ন হয়নি। বরং সেই অর্থ অপচয় হয়েছে বা দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়েছে। এ ধরনের রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলতে দেওয়া যাবে না। এজন্য আমাদের সবাইকে আরও সজাগ, দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। এই সময়কে আমাদের একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে এবং সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করতে হবে। কারণ আমরা অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছি। এই পথচলায় আমাদের অনেক সহকর্মী নির্যাতিত হয়েছেন, কেউ গুমের শিকার হয়েছেন, কেউ জীবন দিয়েছেন-তাদের আত্মত্যাগ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। আজ গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে-পার্লামেন্টে সরকার ও বিরোধী দল নিজেদের মতামত তুলে ধরছে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু যদি আমরা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিই, তাহলে এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। তাই শুরু থেকেই মাঠ পর্যায়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। একজন মন্ত্রী, একজন এমপি যদি দায়িত্বশীল থাকেন, তাহলে নিচের স্তরের কর্মকর্তারাও সজাগ থাকবে। এই সচেতনতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি-সরকার দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিকেই কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যেমন কৃষিঋণে স্বস্তি প্রদান। পাশাপাশি নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ইত্যাদি। আমরা বিশ্বাস করি না যে শুধু মেগা প্রজেক্ট করে শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন করলেই হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো-গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেয়া। আমরা চাই-বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে যাক। দেশের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে উন্নয়ন ছড়িয়ে দিতে আমরা দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থা উন্নয়ন-এসব ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চাই। তার দূরদর্শী চিন্তা আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়-সবার আগে বাংলাদেশ, সবার আগে দেশের মানুষ।” জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল, পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পশ্চিমাঞ্চল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ, জিকে সেচের প্রকল্প পরিচালক জাহেদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও খাল খননের ঠিকাদার হেমন্ত কুমার সিংহ রায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়নের বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, জেলা জামায়াতের  আইন ও আদালত বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির প্রভাষক শফিউল আলম বকুল, সেক্রেটারি মামুন রেজা, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, ইউপি চেয়ারম্যান তবারক হোসেন, মিনাজ উদ্দিন বিশ্বাসসহ নেতৃবৃন্দ। এর আগে দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সার্টিক হাউজে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের মতবিনিময় করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান লিপ্টন, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল হক রোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আজিজুর রহমান পিন্টু, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মদ আলী, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মুকুট, আবু জাফর মন্টু, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি এম জেনারেল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক তরফদার সাবু, জেলা মহিলাদলের সভাপতি রউফুন নাহার রিনা, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা পারভীন, জেলা যুবদলের সভাপতি শরীফ উর জামান সিজার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝন্টু, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন, সদস্য সচিব তবারক হোসেন চেয়ারম্যান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহা, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ শরিফুল আলম বিলাস, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাহাজান খান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, জেলা আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাড. মানজার আলী জোয়ার্দ্দার হেলাল, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক, জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল হক বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব হাফেজ মো. মাহবুবুল আলম, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রাফিতুল্লাহ মহলদার, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুক্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ মো. রাজীব খান, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেফালী খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন পারভীন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস মিল্টু, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More