চুয়াডাঙ্গার বহুল আলোচিত ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ শিপরাসহ দুজন আটক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযান : বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ জেলার আলোচিত মাদককারবারি অর্ধশতাধিক মাদক মামলার আসামি শিপরাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে নিজ বাড়ি থেকে এক হাজার ৩৫ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়। একই সময় আটক করা হয় আরেক মাদককারবারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের আজাদ হোসেনকে। গতকালই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাসহ তাদের দুজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটককৃত শিপরা বেগম (৬০) চুয়াডাঙ্গা বুজরুকগড়গড়ি বুদ্ধিমানপাড়ার বাবুল হোসেনের স্ত্রী এবং আজাদ হোসেন (৪৫) রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা উত্তরপাড়ার মৃত চুন্নু মিয়ার ছেলে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শরিয়ত উল্লাহর নেতৃত্বে পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপ-পরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ পৌর এলাকার বুজরুকগড়গড়ি বুদ্ধিমানপাড়ায় অভিযান চালান। অভিযানকালে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয় জেলার আলোচিত মাদক স¤্রাজ্ঞী শিপরা বেগমকে। সেখান থেকেই আটক করা হয় আরেক মাদককারবারি আজাদ হোসেনকে। এ সময় শিপরা বেগমের হাতে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ১ হাজার ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাসহ দুজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শরিয়ত উল্লাহ বলেন, গ্রেফতারকৃত শিপরা বেগম জেলার আলোচিত মাদককারবারি। তার বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধশতাধিক মাদকের মামলা আছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এর আগেও একাধিকবার তাকে মাদকসহ গ্রেফতার করেছে। প্রতিবার জেল থেকে সে জামিনে বের হয়ে আবারও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যায়। আজ ১ হাজার ৩৫ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আজাদ হোসেনের নামেও একাধিক মাদক মামলা আছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাসহ তাদের দুজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More