ফ্যাসিবাদমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।
তিনি বলেন, মানুষ ফ্যাসিবাদ কখন হয়, যখন একক ক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদেরকে আজীবন ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে যা ইচ্ছে তাই করে। বারবার সংবিধানকে সংশোধন করতে করতে দলীয় প্রচারপত্রে পরিণত করে। এ অবস্থা থেকে দেশ, ইসলাম ও মানবতাকে বাঁচাতে এখন এদেশের জনগণের একটিই ভরসা, তা হলো সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন-যা পিআর পদ্ধতি হিসেবে পরিচিতি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা মামুনুর রশিদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিনিয়ল সহ- সভাপতি মাওলানা সাইফুল্লাহ মানসুর, ওলামা মাশায়েখ আইম্ম পরিষদের জেলা সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম কাসেমী, শ্রমিকনেতা মনিরুজ্জামানসহ জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ।
সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, ছাত্র-জনতা জীবন বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে। একটি সুন্দর আগামীর জন্য। আগামী বন্দোবস্ত বিনির্মাণর জন্য। রাষ্ট্র সংষ্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি এবং একটি ফলপ্রসূ নির্বাচন, যা পিআর পদ্ধতির নির্বাচন। পুরোনো বন্দোবস্ত থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মানুষ জিঘাঙসার রাজনীতি, প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং দৈত্য দানবের রাজনীতিতে ফিরে যেতে চায় না। চাঁদাবাজির রাজনীতি, পাথর দিয়ে মানুষ মারার রাজনীতিতে ফিরে যেতে চায় না।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, ৫ আগস্ট খুনি এবং ফ্যাসিস্ট, টাকা পাচারকারী শেখ হাসিনা বুঝতেও পারেনি তার দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। কাজেই অতীত থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হলে তাদের মত পরাজয় বরণ করতে হবে। চাঁদাবাজ, খুনি ও স্বার্থান্বেষী মহলকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশের মানুষ, দেশপ্রেমিক মানুষ আজ সর্বত্র ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা আজ এ চাঁদাবাজ, খুনি, টাকা পাচারকারীদেরকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করবে।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.