ইয়াং টাইগার্স অনূর্ধ্ব–১৮ খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণী চ্যাম্পিয়ন খুলনা, রানার্স আপ নড়াইল

স্টাফ রিপোর্টারচুয়াডাঙ্গায় ইয়াং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা নতুন স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনালে মুখোমুখি হয় খুলনা অনূর্ধ্ব-১৮ এবং নড়াইল অনূর্ধ্ব-১৮। খুলনা অনুর্ধ-১৮ প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান করেন। দলের সাইমুম ইসলাম দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন। জবাবে নড়াইল অনুর্ধ-১৮ দল সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান করেন। ফলে খুলনা ৫২ রানে জয়লাভ করেন। এসময় খুলনা অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সাইমুম ইসলাম ৩৩ রান ও ১ উইকেট পেয়ে ম্যান অব দ্যা ফাইনাল ঘোষিত হন। এসময় বিজয়ী দলের আনন্দ উচ্ছ্বাসে মুখোরিত হয় স্টেডিয়াম মাঠ।
এ সময় জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
‘এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে চুয়াডাঙ্গার কোন খেলোয়াড় না থাকায় একটু খারাপই লাগছে। আমি আশা করেছিলাম চুয়াডাঙ্গার কেউ হয়তো থাকবে এই খেলায়। এই টিমের মধ্যে যদি চুয়াডাঙ্গা থাকতো তাহলে আমরা আরও বেশি খুশি হতাম। আমাদের আশা আগামী দিনে চুয়াডাঙ্গার ছেলেরা আরও অনেক বেশি এগিয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খুলনা এবং নড়াইল দুই দলকেই অভিনন্দন। আমাদের মূল লক্ষ্য একটি সুন্দর-সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ তৈরি করা। এজন্য মাদকসহ যে কোনো বদঅভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম মাধ্যম হলো খেলাধুলা ‘ মোবাইল আসক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন অনেকে মোবাইলের মধ্যে আসক্ত, মোবাইলের মধ্যে বন্দি। তারা এখন ক্রিকেট-ফুটবল সব খেলে  তবে সেটা মোবাইলের মাধ্যমে। কিন্তু মাঠে এসে খেলার মাধ্যমে অথবা খেলা সরাসরি দেখার মাধ্যমে যে শারীরিক উন্নতি এবং মানসিক বিনোদন পাওয়ার কথা তা মোবাইলের মাধ্যমে পাওয়া যায় না। মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকার মানেই হচ্ছে তার জীবনের সময়টা নষ্ট করা এবং তার শরীর ও মনকে খারাপ দিকে ধাবিত করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিশ্ব মানচিত্রে পরিচিত হওয়ার যে মাধ্যমগুলো রয়েছে তার ভিতর অন্যতম মাধ্যম হলো ক্রিকেট। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন অনেক দেশ আছে যারা, আমাদের দেশকে চেনে শুধু মাত্র ক্রিকেটের কারণে।  ক্রিকেটে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি, সামনে আরও ভালো করার জন্য আমরা চেষ্টা করব।’
পরে চ্যাম্পিয়ন ও রার্নাস আপ দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দরা।
জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ক্রিকেটার জুয়েল মাহমুদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট কোচ কাজী ইমদাদুল বাশার রিপন, এস.এম মনোয়ার আলী মনু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক মেহেরাব্বিন সানভী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিভাগীয় কাউন্সিলর জাকির হোসেন রিপন, যশোর জেলা কোচ আজিমউদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা জেলা কোচ খন্দকার টুটুল প্রমুখ। আম্প্যায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন টুটুল মোল্লা ও আব্দুল মালেক। খেলা পরিচালনা করেন শফিকুল ইসলাম ও ইমরান আলী ।
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More