চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে দুই পা হারালেন বাদাম বিক্রেতা

স্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়েছেন রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক বাদাম বিক্রেতা। তিনি মৃত মেছের আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশন এলাকায় বাদাম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি।

আজ রবিবার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী ট্রেন ধীরগতিতে চলার সময় রবিউল ইসলাম ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তার পা পিছলে যায় এবং তিনি ট্রেনের নিচে পড়ে যান। ফলে ট্রেনের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে মারাত্মকভাবে কেটে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ফাহিম জানান,
“আমি নিজ চোখে দেখেছি, চলন্ত ট্রেন থেকে নামার সময় লুঙ্গিতে পা জড়িয়ে তিনি হোঁচট খান। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের নিচে পড়ে গেলে তার দুই পা কেটে যায়।”
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের জানান,
“আজ দুপুর আনুমানিক বারোটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তিনি চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। দুর্ঘটনায় তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তাকে জরুরি চিকিৎসা দিয়ে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে তাকে ঢাকায় রেফার করা হবে।”

এ বিষয়ে জিআরপি পুলিশের এক সদস্য জানান,
“মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল। ট্রেনটি স্টেশন অতিক্রম করে আউটার এলাকায় পৌঁছালে ওই ব্যক্তি নামতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ট্রেনের নিচে পড়ে যান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।”

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More