গণভোটের ফলাফলে ভুল তথ্য সংশোধন করলো ইসি

স্টাফ রিপোর্টার:১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের ফল প্রকাশে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর তা সংশোধন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথমে প্রকাশিত তথ্যে কয়েকটি আসনে অস্বাভাবিক কাস্টিং হার দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হলে পরে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

প্রাথমিক ফলাফলে জানানো হয়, দেশব্যাপী প্রায় ৬২ দশমিক ৪৭ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ এবং ২৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন। অধিকাংশ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলেও ১১টি আসনে ‘না’ জয়ী হয়।

প্রথম প্রকাশিত তথ্যে রাজশাহী-৪ আসনে গণভোটের কাস্টিং হার দেখানো হয় ২৪৪ দশমিক ২৯৫ শতাংশ। সেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন হলেও কাস্ট ভোট দেখানো হয় ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। এর মধ্যে ‘না’ ভোট ৬ লাখ ১২ হাজার ২২৯ এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে ইসি সংশোধিত ফল প্রকাশ করে। সংশোধিত তথ্যে ওই আসনে কাস্টিং হার দেখানো হয় ৭২ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং কাস্ট ভোট ২ লাখ ৬ হাজার ৬১১টি।

উল্লেখ্য, এই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর প্রার্থী আবদুল বারী সরদার।

একই ধরনের অসঙ্গতি দেখা যায় সিরাজগঞ্জ-১ আসনেও। প্রথমে সেখানে গণভোটের কাস্টিং হার দেখানো হয় মাত্র ৭ দশমিক ৮৯৯ শতাংশ, যা একই দিনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের হার (৬০ দশমিক ৮৩ শতাংশ) থেকে অনেক কম।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে আয়োজিত এ গণভোটে প্রাথমিক তথ্যে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ এবং ‘না’-এর পক্ষে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট দেখানো হয়। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে গড় কাস্টিং হার প্রকাশ করা হয়েছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।

পরে সংশোধিত ফলাফলে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’-এর পক্ষে ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ ভোট দেখানো হয়। একই সঙ্গে গড় কাস্টিং হার নির্ধারণ করা হয় ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে তথ্য প্রদর্শনে এসব অসঙ্গতি দেখা দিয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে তা সংশোধন করা হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More