স্টাফ রিপোর্টার:মঙ্গলবার ১০ মার্চ সকাল আড়াইটা থেকে চারটা পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে খাদ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রণের অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ধারায় মো. রশিদুল হকের মেসার্স জমজম হোটেলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনসুলিন সংরক্ষণের দায়ে একই আইনের ৫১ ধারায় মো. রফিকুল আলমের রনক ড্রাগ হাউজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে ইফতারীর জন্য প্রস্তুতকৃত পোকাযুক্ত বেগুন ব্যবহার করে বেগুনি তৈরির অপরাধে আইনের ৪৩ ধারায় এ এম এম আরিফের ভোজন বিলাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধান করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অভিযানকালে হোটেল, গ্যাসের দোকান ও ফলের দোকানেও তদারকি করা হয়। ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের পণ্য বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, সদর পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.