অবশেষে গাছ কেটে নেয়া হলো ইউনিয়ন পরিষদে

 

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়নের কোটালী-ফুরশেদপুর সড়কে ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি শিশুগাছের মালিকানা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় একটি সমিতি ও এক ব্যক্তির মধ্যে ত্রিমুখী বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ টানাপোড়েন চলার পর অবশেষে গাছটি কেটে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়া হয়েছে। আনুমানিক ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ওই গাছটির প্রকৃত মালিকানা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঝড়ে বেগমপুর ইউনিয়নের কোটালী-ফুরশেদপুর সড়কের একটি বিশালাকৃতির শিশুগাছ উপড়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। গতকাল শুক্রবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্দেশে শ্রমিকরা গাছটি কাটতে গেলে বিবাদের সূত্রপাত হয়। ঘটনাস্থলে ফুরশেদপুর গ্রামের সমিতির সদস্যরা উপস্থিত হয়ে দাবি করেন, বন বিভাগের মাধ্যমে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় এটি তাদের সমিতির গাছ। সমিতির সদস্য মোহাম্মদ মেম্বার বলেন, ‘আমাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র আছে। লিখিত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া এই গাছ সরালে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’ একই সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান সেখানে পৌঁছে গাছটি তাঁর ব্যক্তিগত বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশের জমি আমার। গাছটিও আমার রোপণ করা। পরিষদ জোরপূর্বক আমার গাছ নিয়ে যাচ্ছে।’ অন্যদিকে, পরিষদের পক্ষে গাছ কাটার তদারকিতে থাকা দফাদার ছলিম জানান, তিনি কেবল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করছেন। তবে বন বিভাগের কোনো অনুমতিপত্র আছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বিবাদ এড়াতে গাছটি কেটে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে রাখা হয়েছে। পরিষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, গাছটি নিয়ম অনুযায়ী নিলামে বিক্রি করা হবে এবং পরবর্তীতে আবেদন সাপেক্ষে প্রকৃত মালিকদের মধ্যে সরকারি রেশিও বা হার অনুযায়ী টাকা বণ্টন করা হতে পারে। তবে একটি গাছ নিয়ে এমন প্রকাশ্য বিবাদে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More