দামুড়হুদা অফিস: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান মিল্টন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথিমধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামের মৃত শফিউদ্দিনের ছেলে। দীর্ঘদিন দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডের জন্য মিল্টন দামুড়হুদা দশমী স্টেডিয়াম পাড়ার নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ৬ বছরের শিশু কন্যা সন্তান নওশীনসহ অসংখ্য আত্মীয়-গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে মাহফুজুর রহমান মিল্টন তার নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়। তাকে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর ২টার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। কুষ্টিয়া নেয়ার পথিমধ্যে দুপুরে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির উপ-কোষাধ্যক্ষ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল হাসান তনু, চুয়াডাঙ্গা জেলার যুবদলের সভাপতি শরীফ উর জামান সিজার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝন্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাজাহান খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, মিল্টন দীর্ঘ সময়ে দলের দুর্দিনের কান্ডারী হিসেবে দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন। পরে দীর্ঘদিন দামুড়হুদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে তার নামে রাজনৈতিক হয়রানি করার জন্য একাধিক মামলা করা হয়েছিলো।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.