লোডশেডিং নিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা সপ্তাহখানেক পর

 

স্টাফ রিপোর্টার: সপ্তাহখানেক পর্যবেক্ষণ করে লোডশেডিং নিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি গতকাল তার বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘নেক্সট সপ্তাহে আমরা আরেকটা প্ল্যান করবো, আমার টাইমিং শিডিউল আবার ঠিক করবো। বিষয়টিকে গ্রাহকরা বিশেষ পরিস্থিতিতে মেনে নিচ্ছেন। ১০দিন হলে পরে আস্তে আস্তে ঠিক করে নিয়ে আসবো, এটা বেটারের দিকে যাবে, আগামী সপ্তাহে পরবর্তী পরিকল্পনা করা হবে।’ শহর ও গ্রামের লোডশেডিং পরিস্থিতি তুলে ধরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহরে যদি আমি ১০০ মেগাওয়াট লোড শেড করি, আর যদি ঢাকার বাইরে কোনো গ্রামাঞ্চলে ১০০ মেগাওয়াট লোড শেড করি দেখা যায় যে, গ্রামাঞ্চলে লোড শেড করলে তিনটা গ্রাম বন্ধ হয়ে যায়। এটা একটা সমস্যা। কারণ গ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা খুবই কম। ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ হয়তো একটা গ্রাম অথবা তিনটা গ্রাম মিলে ব্যবহার করে। কিন্তু ঢাকা শহরে একটা মহল্লাতেই ১০০ মেগাওয়াট ব্যবহার করে। ঢাকায় হয়তো ১০০ মেগাওয়াট দিলাম, বাইরে হয়তো ৫০/৩০ বা ৬০ মেগাওয়াট দিলাম। এতে কিন্তু গ্রামের অনেক জায়গা কাভার হয়ে যায়। এটা আমাদের চিন্তায় আছে। বর্তমানে গ্রামে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় গ্রামে তিন ঘণ্টা-পাঁচ ঘণ্টা হয়ে যাচ্ছে। ওখানে কী ব্যবস্থা নিব, আগামী এক সপ্তাহ পর ওটা আমরা চিন্তাভাবনা করবো।’

শিল্প-কারখানায় গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অধিকাংশ গ্যাস দেওয়া হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিতে।’ তিনি বলেন, ‘দেশে মোট ডিজেলের মাত্র ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার হয়। বাকি ৯০ শতাংশ সেচ ও পরিবহন খাতে ব্যবহার হয়ে থাকে। আগামী বছর রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি কিছুটা সময় সহনীয় পর্যায়ে থাকি, তাহলে আমাদের কিছু অল্টারনেটিভ ফুয়েলের পাওয়ার প্লান্ট চলে আসবে। এগুলো আগামী বছর থেকে আমরা নিয়ে আসছি। রামপাল চলে আসছে, আদানি (ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ) চলে আসছে।’

Comments (0)
Add Comment