কুষ্টিয়া মডেল থানা থেকে লুট হওয়া ৫৫টি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে এখনো ১৭টি অস্ত্রের সন্ধান মেলেনি ভোটের মাঠে পড়বে এর প্রভাব

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া মডেল থানা থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের সবগুলো এখনো উদ্ধার না হওয়ায় ভোটের পরিবেশ প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন প্রার্থী ও ভোটাররা।
জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া মডেল থানা থেকে ৫৫টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে ৩৮টি উদ্ধার হলেও এখনো ১৭টি অস্ত্রের সন্ধান মেলেনি। গুলির সঠিক হিসাবও পাওয়া যায়নি।
তবে লূট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এর বিশেষ অভিযানে ০৯ সেপ্টেম্বর২০২৪ তারিখ সকালে কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন কুষ্টিয়া টু ত্রিমোহনী গামী পাকা রাস্তার পাশে জুগিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের বিপরীত দিকে থেকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে থাকা সিমেন্টের তৈরি রিং এর মধ্য থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাঠের বাট বিহীন ০১ টি চায়না রাইফেল উদ্ধার করে। যার ফায়ার ম্যাকানিজম, ম্যাগাজিন ও অস্ত্রের বডি পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে সে সময় জানান পুলিশ।
এ ছাড়াও কুষ্টিয়া শহরের কামরুজ্জান শিশু পার্কের পাশের ড্রেন থেকে( ৫ ডিসেম্বর ২০২৪) ময়লা পরিস্কার করতে গিয়ে একটি অস্ত্র পায় পরিছন্ন কর্মিরা। সেটি লুট হওয়া অস্ত্র বলে নিশ্চিত করেন পুলিশ।
লুট হওয়া অস্ত্র গুলো এখনোও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তাই এ নির্বাচনকে সুষ্ঠু হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে শংকা করছেন জামায়াত প্রার্থীগন।
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা বলেন,লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে ভোটাররাও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনীর মাধ্যমে কাজ চলছে।
জেলা পুলিশও কঠোর অবস্থানে থাকবেন বলে জেলা পুলিশ জানান।
কুষ্টিয়া বিজিবিও ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যম নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের চেষ্টা করবে বলে জানান।