ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:আলমডাঙ্গা-হাটবোয়ালিয়া সড়কের বৈদ্যনাথপুর মাঠে পুলিশের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে শনিবার ভোরে একটি ছিনতাই চেষ্টার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় আলমসাধু চালক ও তার মালামাল নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রাম থেকে আলমসাধু চালক জব্বার চার ড্রাম মাছ নিয়ে আড়তের উদ্দেশ্য রওনা দেন।পথে বৈদ্যনাথপুর জামতলা মাঠ এলাকায় পৌঁছালে তিনি বাঁশ দিয়ে দেওয়া ব্যারিকেড দেখতে পান ।গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই চারজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাকে জিম্মি করে পাশের একটি গভীর নলকূপের ঘরে নিয়ে যায় এবং মাছের ড্রামগুলো ফেলে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিতে থাকে।
ঠিক ওই সময় ওসমানপুর ক্যাম্প পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় । পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা মালামাল ফেলে রেখেই দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় চালক জাব্বারকে উদ্ধার করে এবং ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে।
চালক জব্বার বলেন ,”পুলিশ যদি সময়মতো না আসত, তাহলে আমার জীবন এবং রুটি-রুজির একমাত্র সম্বল গাড়িটি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তো । পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে আমি রক্ষা পেয়েছি।”
ঘটনার পর আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। সকাল ৭টার দিকে তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ওসি বাণী ইসরাইল মাথাভাঙ্গাকে বলেন,
” জননিরাপত্তায় পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। ওই এলাকায় রাতে বিশেষ টহল জোরদার ছিল। পুলিশের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে অপরাধীরা তাদের উদ্দেশ্যে সফল হতে পারেনি। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতকদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাইপ্রবন হিসেবে পরিচিত এলাকায় পুলিশের সাহসী ও কার্যকর পদক্ষেপে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আলমডাঙ্গা থানার ওসি ও টহল পুলিশের ভূমিকার জন্য জনসাধারণ আন্তরিক প্রশংসা জানিয়েছেন।