পুলিশ সুপারের পদক্ষেপে আরবিয়া খাতুন ফিরে পেলেন তার সুখের সংসার

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা থানার বকশীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা মোছা. আরবিয়া খাতুনের সাথে একই থানার বেগুয়ারখালী গ্রামের দুলালের ছেলে মো. শিপন’র ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ১৫ বছর পূর্বে বিবাহ হয়। সংসার জীবনে মেয়ে জীম ও ছেলে জীবন নামে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে আরবিয়া খাতুন ও স্বামী শিপনের মধ্যে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে পারিবারিক ঝগড়া-বিবাদ হয়। এক পর্যায়ে আরবিয়াকে তার স্বামী শিপনসহ বাড়ির লোকজন মারপিট করে সন্তানসহ তার পিতার বাড়িতে তাড়িয়ে দেয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে মোছা. আরবিয়া খাতুন তার স্বামী-সংসার ফিরে পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অভিভাবক আর এম ফয়জুর রহমান (পিপিএম-সেবা) অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’র মাধ্যমে গতকাল রোববার দুপুরে উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা তাদের উভয়কে বোঝানোর চেষ্টা করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের সহায়তায় মোছা. আরবিয়া খাতুন ও শিপন সব বিবাদ ভুলে সুখে-শান্তিতে সংসার করতে সম্মত হয়। এভাবে পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে মোছা. আরবিয়া খাতুন ফিরে পেলেন তার সুখের সংসার ও শিশু সন্তানরা ফিরে পেলো পিতৃস্নেহ।