মহেশপুর প্রতিনিধি: মহেশপুরে একটি পরিবারের উপর হামলা করে জোর পূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জীবন বাঁচাতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার সকালে উপজেলার বাঘাডাঙ্গ গ্রামের নির্যাতিত পরিবারের পক্ষে মৃত. শুকুর আলী মন্ডলের ছেলে রবিউল ইসলাম, মনজেল হোসেন ও মিজানুরের ছেলে মেহেদী হাসান মহেশপর প্রেসক্লাবে এই সাংবাদিক সম্মেলন করে। রবিউল ইসলাম বলেন তার পিতৃক সূত্রে প্রায় ৫০/৬০ বছর ধরে বাঘাডাঙ্গা মৌজার ১০২৫ দাগে ২৫ শতক, ১৬৯৩ দাগে ৫৭ শতক ও ৭৪ দাগে ৩৬ শতক জমি ভোগদখল করে আসছে। হঠাৎ একই গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে আব্দুল আলীম নেতৃত্বে তার ভাই ইব্রাহিম, রেজাউল নূরু, হবিবর রহমান হবি,পাঁচ কড়ির ছেলে মিরাজ, দুঃখের ছেলে ভালো, তুষার, আবুল হোসেনের ছেলে আলম, জাহাঙ্গীরসহ ১৪/১৫ জন মিলে ৬৬ শতক জমি সম্প্রতি দখল করে নেয়। তারা এখন আমাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। বাড়ি থেকে আমরা বের হতে পারছি না। আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার বিঘœ ঘটছে। এসকল ঘটনার প্রতিবাদ করায় গত ৬/০৩/২৬ ইং তারিখে রাতে তারাবি নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার সময় আমাকে মাথায় মেরে রক্তাক্ত করে জখম করে। আমি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলি। আমার মাথায় ১৮/২০টি সেলাই হয়। আমার স্ত্রী বাদি হয়ে মহেশপুর থানায় একটি মামলা করে যা চলমান। গত ২৫ মার্চ দিনের বেলায় ২৫ শতক জমির তারা জোরপূর্বক গম কেটে নেয়। তারা তাদের উল্টো সড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। মেহেদী হাসান বলেন তার পিতা মিজানুর রহমান বিদেশ থাকে। সে লেখাপড়া করে তাকে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এতে তার লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে এবং জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে। মনজেল হোসেন বলেন, তারা হঠাৎ করে দীর্ঘদিন পর এসে জমি দখল করে নিচ্ছে। তারা বাঘাডাঙ্গা মৌজার ৯৫৩ খতিয়ানে মহিউদ্দিন ও রমজান মন্ডলের যে অংশ আছে তা ভোগদখল করছে। বাকি ২টা খতিয়ানে জমি জোর পূর্বক দখল করছে। তিনি আরো বলেন আব্দুল হালিমের এক ভাই সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চাকরি করে। তার বলে তারা এইগুলো করছে। তারা সরকারের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।