মহেশপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজিবেড় উইনিয়নের বাগদিরাইট গ্রামের এক স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ কয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টিকটিমের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে ভিকটিমের ফুফু ( পালিত মা) ফাতেমা খাতুন এবিষয়ে মহেশপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা যায় গত ২৬.০৩.২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যার পর উক্ত স্কুল ছাত্রী পাশের বাড়ি থেকে বাসায় ফিরছিলো। এসময় রাস্তায় উপর থেকে শাওন আর হযরত তাকে মুখ চেপে ধরে পাশের ঘাসের ক্ষেতে নিয়ে যায়। পরে আরো ২ জন আসে। তার পর ৩ জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণকারী হলো একই গ্রামের হাফেজুল ইসলামের ছেলে হযরত আলী, তুরিকুল ইসলামের ছেলে শাওন, দিনুর ছেলে নয়ন। ধর্ষণ করার সময় ফরিদ হোসেনের ছেলে আমিন তার মুখ চেপে ধরে রাখে। শাওন আর আমিন ঘটনার ভিডিও করে রাখে এবং হত্যাসহ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ভিকটিম বলেন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে রাস্তা থেকে শাওন আর হযরত আমাকে তুলে নিয়ে যায় ঘাস ক্ষেতে। তার পর আরো ২ জন আসে। একজন মুখ চেপে ধরে রাখে এবং ৩ জন মিলে ধর্ষণ করে। ভিকটিম আরো বলেন আমার পরিবার ও আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার কারণে এবং মান সম্মানের ভয়ে বিষয়টি প্রকাশ হয়নি। আসামিরাই এসকল ভিডিও লোকজনের দেখায় এবং উল্লাস করে বেড়ায়। পরে তারা আইনগত সহযোগিতা পাবার জন্য থানায় আসে। বাদী ফাতেমা খাতুন এ ঘটনার ন্যায় বিচার চান। মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গণধর্ষণের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলোমান।