স্টাফ রিপোর্টার:দামুড়হুদার নাটুদাহ ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে মাইক বাঁজিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রচারণায় বিএনপি নেতা নিষেধ করায় কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে সংঘর্ষে উভয় দলের ৯জন নেতা,কর্মী ও সর্মথক গুরুত্বর আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাত ৭টার দিকে মাইকে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
খবরপেয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ সংঘর্ষে আহতরা হলেন ছাতিয়ানতলা গ্রামের জামায়েত ইসলামীর কর্মী বদু মিয়ার ছেলে হাসিবুর রহমান, দীন মোহাম্মদের ছেলে ইসা হক, মহিদুল ইসলামের ছেলে বাবু মিয়া, নুরুল হালসোনার ছেলে নজরুল ইসলাম, কালু মন্ডলের ছেলে তারিকুল ইসলাম এবং বিএনপি কর্মী লিয়াকত আলীর ছেলে মাসুদ আলী, চাঁদ আলীর ছেলে সোহেল মিয়া ও আব্দুর রশিদের ছেলে সাজু আহম্মেদ ও ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন।।
এবিষয়ে ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর নেতা জয়নাল আবেদিন বলেন, আমাদের মনির নামের এক জামায়াতে কর্মী পেশায় হকার সে মাইক বাজাতে বাজাতে আসলে তাকে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে মারধর করে।
অপরদিকে, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন জানান, মনির হোসেন মাইক বাজিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রচার প্রচারণা চালানোর সময় নিষেধ করলে আমার উপর চড়াও হয়। পরে এক পর্যায়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়ে যায়। তাতে দুই পক্ষের লোকজনে আহত হয়।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। তবে এঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। প্রাথমিকভাবে ৩জন আহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো উবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহীন আলম কে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এবিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।