মেহেরপুর অফিস: মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা, গ্রাহকদের হয়রানি প্রতিরোধ এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকল্পে একযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও ফিলিং স্টেশন মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। মেহেরপুর জেলায় তেল সরবরাহ চলমান রয়েছে এমন মোট ১৫টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ১১টি ফিলিং স্টেশন মনিটরিং করা হয়। জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে মেহেরপুর সদর উপজেলায় মেহেরপুর ফিলিং স্টেশন, হক ফিলিং স্টেশন ও মা ফিলিং স্টেশনে মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবীর আনসারীর নেতৃত্বে মুজিবনগর উপজেলায় মুজিবনগর ফিলিং স্টেশন ও অনামিকা ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালিত হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে মেহেরপুর সদর উপজেলায় নূর ফিলিং স্টেশন ও আমিন ফিলিং স্টেশনে এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভূবন চন্দ্র হালুদারের নেতৃত্বে গাংনী উপজেলায় গাংনী ফিলিং স্টেশন, হোসেন ফিলিং স্টেশন ও জামান ফিলিং স্টেশনে মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এছাড়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. এস্তামুল হকের নেতৃত্বে সদর উপজেলার শতাব্দী ফিলিং স্টেশনে একই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে যেসব ফিলিং স্টেশনে তেল মজুদ না থাকায় বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ ছিলো, সেসব স্থানে তেল প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণ শুরু করার নির্দেশনা দেয়া হয়। পেট্রোল বিতরণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে সুশৃঙ্খলভাবে গ্রাহকদের মাঝে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ফিলিং স্টেশনগুলোর রেজিস্ট্রার যাচাই করে তেল মজুদের পরিমাণ পরীক্ষা করা হয় এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন যাচাইপূর্বক তেল সরবরাহ, পর্যাপ্ত তেল থাকা যানবাহনে অতিরিক্ত তেল না দেয়া এবং জারিক্যানে তেল সরবরাহ না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারায় মোট ১৭টি মামলায় ৮ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়।