চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতের আমীর
দখলবাজ, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজির লালকার্ড যুবসমাজ বস্তাপঁচা রাজনীতি আর চায় না
স্টাফ রিপোর্টার:
জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনে ১১ দলের ২২ টি হাত একত্রিত হয়েছি। অর্থাৎ বাংলাদেশের আপামর জনগন একত্রিত হয়েছে। এই বাংলাদেশ দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও ফ্যাসিজমকে বিরুদ্ধে চিরতরে লাল কার্ড দেখাবে। গণভোটে হ্যাঁ ভোট জিতলে বাংলাদেশ জিতে যাবে, না ভোট জিতলে বাংলাদেশ হেরে যাবে।
আজ সোমবার বিকেল ৫ টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ২৪ শের বিপ্লব ছিল বুলেটের বিরুদ্ধের বিপ্লব। আসছে ১২ ফেব্রুয়ারির বিপ্লব হবে ব্যালটের মাধ্যমের বিপ্লব। দিশেহারা কেউ কেউ জনগনের ভোটে পরাজিত হওয়ার ভয়ে ১১ দলের পক্ষে যেসসব মা-বোনেরা নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে যাচ্ছেন তাদের সাথে অমানবিক আচরণ করছে, অভদ্র আচরণ করছে। আমাদেরকে নতুন করে সুরসুরি দিও না, আমাদেরকে পরীক্ষা করার কিছুই নেই। জামায়াতের কর্মীরা এক আল্লাহ ছাড়া, হিমালয়ের সামনেও মাথানত করে না। আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না। সুতরাং বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।
যুবসমাজের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকের যুবসমাজ সেই বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছরে যে রাজনীতি বাংলাদেশকে অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে, অন্য রাষ্ট্রকে তাঁবেদারি করেছে সেই রাজনীতি আমরাও চাই না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের যেসব জনপ্রতিনিধি জয়ী হবেন। তারা কখনো সম্পদের পাহাড় বানাবে না। তাদের সম্পদ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে না। প্রতিবছরে তাদের এবং স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে।যুব সমাজের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে চাই না, সম্মানের কাজ তুলে দিতে চাই। বিভিন্ন প্রশিক্ষন দিয়ে যুবসমাজের হাতকে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়তে চাই বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমীর।
জেলা জামায়াতের আমীর রুহুল আমীনের সভাপতিত্ব জনসভায় অংশ নিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিগবাতুল্লাহ্, জাগপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোল্লা ফারুক এহসান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।