জীবননগর প্রেসক্লাবের পাল্টা বিবৃতি

জীবননগর ব্যুরো: গত ২৮/০১/২০২৬ ইং তারিখ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দাবি করে সাংবাদিক মো. রিপন হোসেন একটি বিবৃতি দিয়েছেন যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এ নিয়ে জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূর আলম একটি বিবৃতি দিয়েছেন। রিপন হোসেনের বিবৃতির পাল্টা বিবৃতিতে বলেন, জনাব রিপন হোসেন আপনার নিশ্চয় মনে আছে, আপনারা গুটি কয়েক সাংবাদিক মিলে একটি দলের সহযোগিতায় গত বছর জীবননগর প্রেসক্লাবের ভবন দখল করেন। ভবন দখল করে অবৈধ পন্থায় আপনারা একটি কমিটিও গঠন করেন। বিষয়টি চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ এ অঞ্চলের আপামর মানুষ অবগত। জীবননগর প্রেসক্লাবের ভবন হারানোর পর আমরা প্রেসক্লাবের বৈধ কমিটি হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। সাম্প্রতিককালে জীবননগর প্রেসক্লাবের দুই জন সদস্য উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা দ্বারা নানাভাবে লাঞ্চিত ও হেনস্থার শিকার হলে আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি, সেখানে আপনারা নির্যাতিত সাংবাদিকদের বিপক্ষে গিয়ে নগ্নভাবে উক্ত কর্মকর্তার দালালী করছেন। প্রেসক্লাবের সিনিয়র ও সম্মানিত সদস্যদের চরিত্র হননে ফেসবুকে নানা ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কল্প কাহিনী লিখে ও ভিডিও কনটেন্ট তৈরী করে আপলোড করছেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের চরিত্র হননের এ ধরণের কর্মকান্ড থেকে বেরিয়ে আসার আহŸান জানাচ্ছি। সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমরাই জীবননগরে সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করেছি। কোন সাংবাদিকের চরিত্র হনন আমাদের কাজ না। আমরা কোন বিতর্কিত কর্মকান্ডের সাথে জড়িতও না। আমরা কোন ভুয়া কমিটির সদস্যও না। অনেক উপজেলাতে একাধিক প্রেসক্লাব একাধিক নাম নিয়ে আছে, জীবননগরেও হতে পারে। তবে আমাদের প্রাণের সংগঠন ‘জীবননগর প্রেসক্লাব’। জীবননগরে সাংবাদিক সমিতি গঠিত হলে আমরা এর বিরোধিতা করিনি অন্য নাম নিয়ে প্রেসক্লাব গঠিত হলে তারও বিরোধিতাকারী হওয়া আমাদের কাম্য না। আমরা আপানাদের সংগঠনের কোন সাংবাদিকদের চরিত্র হননে মাঠে আগও নামেনি এখনও নামবো না। তবে বলে রাখি-আমরাও লিখতে পারি। লিখছিনা এটা আমাদের কোন দুর্বলতা না। কোন কারণ বা স্বার্থ ছাড়া লিখলে সেটা সাংবাদিক হিসাবে আমার গা’তেও লাগে। আপনাদের স্মরণ করে িেদয়ে বলছি ইতিহাস বড় নিষ্ঠুর। দখলদারিত্ব যারাই করেছে তাদেরকেই একদিন এর দখলদারিত্ব ছাড়তে হয়েছে। আপনারা যে মিথ্যা ইতিহাস রচনা করতে চাচ্ছেন তা একদিন ইতিহাসের আস্তাকুড়েই নিক্ষিপ্ত হবে এবং সত্য উদ্ভাসিত হবে। আরও বলতে চাই, জীবননগর প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে আমারা নির্যাতিন সাংবাদিকের পাশে দাঁড়িয়েছি সাংবাদিকদের সন্মান ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে। এমন ঘটনায় আমরা অতীতেও সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছি, বর্তমানে দাঁড়িয়ে আছি, বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। আপনাদের শুভ বৃদ্ধির উদয় হোক এই প্রত্যাশা করি।