আন্তঃজেলা বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রের মোটর চোরচক্রের আরও ২ সদস্য গ্রেফতার

আলমডাঙ্গা ব্যুরো: আন্তঃজেলা বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রের মোটর চোরচক্রের আরও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ। গত ৩০ জুন ভোর রাতে আলমডাঙ্গার হারদী ইউনিয়ন থেকে আন্তঃজেলা সেচযন্ত্রের মোটর দুই চোরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ স্থানীয় এ দুই চোরকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ও ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠ থেকে কয়েক সপ্তাহ ধওে বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রের মোটর চুরির ঘটনা ঘটে। গত প্রায় ২ সপ্তাহ’র ব্যবধানে ভাংবাড়িয়া ও ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকটি মাঠ থেকে মোটরগুলো চুরি করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাগপুরের মৃত শাহাদত গাইনের ছেলে জালাল উদ্দীন গাইনের একটি মোটর, হারদী গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে তানজিল হোসেনের একটি, একই গ্রামের আকমান আলীর ছেলে ইদের আলীর ১টি, মোড়ভাঙ্গা গ্রামের মৃত জুলমত ফকিরের ছেলে আব্দুল কাদের ফকিরের ১টি, মৃত একই গ্রামের মৃত জলিল ম-লের ছেলে শরিফ উদ্দীন একটি, একই গ্রামের মৃত লুতফর ফকিরের ছেলে নাজির ফকিরের ১টি, বড়বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক বিশ্বাসের ছেলে মিন্টু বিশ্বাসের ১টি ও একই গ্রামের সুলতান বিশ্বাসের ছেলে শফি উদ্দীন বিশ্বাসের ১টি মোটরসহ এলাকার আরও কয়েকজন কৃষকের বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রের মোটর চুরি হয়েছে।
অব্যাহত চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে কৃষকরা কয়েক রাত্রি ধরে পাহারা দেন। গত ৩০ জুন ভোর রাতে আলমসাধু (স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যান্ত্রিক যানবাহন) নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি প্রাগপুর গ্রামের মৃত শাহাদত গাইনের ছেলে জালাল উদ্দীন গাইনের বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্রেও মোটর খুলে গাড়িতে তোলার সময় তাদেরকে আটক করে পাহারারত কৃষকরা। আটককৃতরা হলেন কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার তাজপুরের হায়াত ম-লের ছেলে সেলিম ম-ল (২৫) ও কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার খোকশার আব্দুল মান্নানের ছেলে ইমরুল হক (২৮)। সেলিম বর্তমানে কুষ্টিয়া কোর্টের নিকটে বসবাস করেন।
তাদেরকে আটকের পর গণধোলায় দিয়ে গ্রামবাসী পুলিশের হাতে তুলে দেন তাদের। আটককৃত দুই আন্তঃজেলা চোরকে পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তিতে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ গত শুক্রবার দিনগত রাতে বড় গাংনীর আবু বক্কর বিশ্বাসের ছেলে রহমান বিশ্বাস (৩২) ও বড় বোয়ালিয়ার গুচ্ছগ্রাম থেকে ফটিক চাঁদের ছেলে রফিকুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করে। তাদেরকে সংশ্লিষ্ট মামলায় জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More