জীবননগরে নব-নির্বাচিত পৌর মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে এমপি টগর

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উচিত জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হওয়া

জীবননগর অফিস: জীবননগর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রফিকুল ইসলাম রফিক দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পৌর হলরুমে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত মেয়রের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্বভার হস্তান্তরকালে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুনিম লিংকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, নবনির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দ, পৌরসভার সচিবসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। পরে পৌরভবন চত্বরে নবনির্বাচিত মেয়রের অভিষেক ও সাবেক মেয়রের বিদায়ী অনুষ্ঠানের আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
নব-নির্বাচিত মেয়র রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজি আলী আজগার টগর বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উচিত জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হওয়া। আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি সাধারণ মানুষ চেয়ারম্যান অথবা মেয়রদের কাছে টাকা পয়সা নিতে আসে না। তারা ছোট খাটো সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের দারস্থ হয়। আপনি যদি তাদেরকে কাছে বসিয়ে তাদের সুখ দুঃখের কথা একটু মন দিয়ে শুনে সমস্যা সমাধানের তাৎক্ষনিক উদ্যোগ নেন তাহলে ওই ব্যক্তি কখনো আপনাকে ভুলতে পারবে না। যদি কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাজটি নাও হয় তবে ওই ব্যক্তি বলবে আমার জন্য চেষ্টা তো করেছিলো। এটি বর্তমান মেয়রসহ সকল জনপ্রতিনিধিদের স্বরনে রাখা উচিত। নির্বাচনে আবারও জনগণের কাছে তাদেরকে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবার আমি যখন নির্বাচিত হয়। তখন এ অঞ্চলের মানুষ আমার কাছে তাদের সমস্যার কথা বলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রাস্তাঘাটের সমস্যা কথা শুনতে শুনতে আমি মাঝে মধ্যে নিরবে বসে ভাবতাম এ অঞ্চলের হাজারো সমস্যা কি ভাবে সমাধান করবো। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা দক্ষ নেতৃত্ব ও সুদুর প্রসারী পরিকল্পনায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যদা পাচ্ছে। আজ আমার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তা ঘাট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন নতুন বিল্ডিং নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং ৩১ শয্যার থেকে ৫০ শয্যার উন্নীত করাসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ঈশার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন মিয়া, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
1 টি মন্তব্য
  1. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন

    এখানে আমি কোন দলের কথা বলব না- কেননা জনপ্রতিনিধি হলেন সকলের। তাই জন সেবা করে তিনি আমজনতার মনের মধ্যে চির অমর হয়ে থাকবেন এটাই আমাদের মনোবাসনা যা একমাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিই পূরণ করতে পারেন। কারণ সরকারের সেবা বিভাগ ও অর্থ ভাণ্ডার তিনার হাতেই অর্পিত ।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More