দামুড়হুদায় উন্মুক্ত মরা নদীতে মাছ চাষ : সংঘর্ষের আশক্সক্ষা

 

দামুড়হুদা অফিস: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর-লোকনাথপুর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া উন্মুক্ত মৃত নদী দখল করে মাছের পোনা অবমুক্ত করে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে এই মরা নদী থেকে কেউ মাছ ধরতে পারছে না। মাছ ছাড়ায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশক্সক্ষা দেখা দিয়েছে। নদীটি উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাদিপুর-লোকনাথপুর গ্রামের মধ্যে প্রায় ১০০ বিঘা মরা নদী রয়েছে। নদীটির বিভিন্ন অংশে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় নদীটি বদ্ধ ঘোষণা করে পুণর্খনন করে ইজারাযোগ্য করে তোলার পর ইজারা দেয়া হবে। দীর্ঘদিন আগে নদীটির ইজারা বাতিল করে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। হাউলী ইউপির সদস্য কাদিপুর গ্রামের শাহাজামাল মেম্বার বলেন, উন্মুক্ত এই নদী থেকে এলাকাবাসী নিজেদের ইচ্ছামতো মাছ ধরার সুযোগ পাচ্ছিল। উন্মুক্ত কোনো কিছু কেউ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। এলাকার ফারুক হোসেন, ওসমান আলি, হাফিজুর গং ওই নদীতে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য মাছ ছেড়েছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ মাছ ধরা  থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যেকোনো সময় সংঘর্ষের আশক্সক্ষা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ওসমান আলী বলেন, নদীটির দুই পাশে থাকা মালিকানা জমির মালিকদের জমির পরিমাণ হিসাব করে তাদেরকে বিভিন্ন অঙ্কের প্রায় তিন লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে। এতে তারা উপকৃত হয়েছেন। দুই লক্ষ টাকার মতো মাছ ছাড়া হয়েছে। পাট পচানো মরসুমে মাছ ধরা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, এর আগে যারা আমাদের সাথে থেকে মাছ চাষ করেছে, এবার তারা আমাদের থেকে বেরিয়ে গিয়ে ঝামেলা পাকাচ্ছে। এলাকাবাসী চাইলে আমরা মাছ ধরে নিয়ে ছেড়ে দেব। এদিকে কাদিপুর গ্রামের শাহাজামাল, রশিদুল হক, জাকির হোসেন, মজিবর রহমান, হাফিজুর রহমান জাহিদুল ইসলামসহ এলাকার সচেতন মহল মরা নদীটি দখলমুক্ত করে উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আহ্বান জানিয়েছেন। না হলে যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More