দামুড়হুদায় কমছে আবাদি জমি : বাড়ছে খাদ্য অনিশ্চয়তা

 

হাবিবুর রহমান: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় প্রতিবছর কমছে দানাজাতীয় শস্য আবাদি জমি। বাড়ছে বাগান, কলকারখানা, ইটভাটা, বসতবাড়ি। ফসল আবাদি জমি কমে যাওয়ায় খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা বাড়ছে। গত ৫বছরে উপজেলায় দানা ফসল জাতীয় আবাদি জমি কমেছে ১৭৬ হেক্টর পরিমান জমি। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, দামুড়হুদা উপজেলায় গত ৫বছর আগে দানা শস্য আবাদি জমির পরিমান ছিলো ২৫ হাজার ৯২৬ হেক্টর। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বসতবাড়ি, কলকারখানা, ফলের বাগান ও ইটভাটা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বর্তমানে এই আবাদি জমির সংখা কমে দাড়িয়েছে ২৫ হাজার ৭৫০ হেক্টরে ৫বছরে কমেছে ১৭৬ হেক্টর জমি। প্রতি বছরে কমছে ৩৬ হেক্টর পরিমান এই আবাদি জমি। আধুনিক পদ্ধ্যতিতে চাষাবাদ করে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও প্রতিবছর জমির পরিমান কমে যাওয়ায় খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মনিরুজ্জামান বলেন, খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার সকল ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার চাষিদের সুবিদার্থে সার, তেলসহ কৃষি উপকরণ ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে একই জমিতে একাধিকবার ফসল উৎপাদন এবং উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করছেন গবেষকগণ। এক ও দুই ফসলি জমি অঞ্চল বিশেষে ৩/৪ফসলি জমিতে পরিণত করা হয়েছে। উপজেলার ভাটা মরসুমে ইটভাটাগুলোতে প্রায় ২৫০ বিঘা জমি পতিত থাকতো। তিনি আরো বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে উপজেলায় ফসলি মাঠগুলোতে বসতবাড়ি, কলকারখানা ও ইটভাটা গড়ে ওঠাই দানা জাতীয় শস্যর আবাদ যোগ্য জমির পরিমান এভাবে কমতে থাকলে খাদ্য ঘাটতি আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More