বিশ্ব টুকিটাকি

বর্ষবরণের আতশবাজিতে প্রাণ গেল দুজনের
মাথাভাঙ্গা মনিটর: পুরোনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে বরণ করে নিতে আতশবাজির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বর্ষবরণের এই আতশবাজি বিস্ফোরণে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নতুন বছর শুরুর প্রাক্কালে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বনের কাছে হেনেফ এলাকায় আতশবাজি বিস্ফোরণে ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় মারাত্মক আহত ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে আতশবাজি বিস্ফোরণে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। জার্মানির বার্লিনে একটি ব্যক্তিগত পার্টিতে অবৈধ আতশবাজি বিস্ফোরণে ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। আহতদের সবাই পায়ে আঘাত পেয়েছেন বলে বার্লিনের দমকল বিভাগ শনিবার জানিয়েছে। দমকল বিভাগ আরও জানায়, আহতদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী এক কিশোরও রয়েছে।

স্ত্রীকে একসঙ্গে থাকতে বাধ্য করতে পারবে না স্বামী
মাথাভাঙ্গা মনিটর: পারিবারিক আদালতের রায়কে খারিজ করে দিয়ে ভারতের গুজরাট হাইকোর্ট বলেছেন, কোনো নারীকে স্বামীর সঙ্গে থাকতে বাধ্য করা যাবে না। এমনকি আদালতের নির্দেশ থাকলেও নয়। প্রথম স্ত্রীকে একসঙ্গে থাকতে বাধ্য করার কোনো অধিকার স্বামীর নেই বলে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম আইনে বহুবিবাহ স্বীকৃত। তবে ইসলামে কখনোই বহুবিবাহকে উৎসাহ দেয়া হয় না। এই যুক্তিতে স্বামীর সঙ্গে থাকতে প্রথম স্ত্রী অস্বীকার করতে পারেন বলে গুজরাট হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। বিচারপতি তার রায়ে বলেছেন, ভারতে যে মুসলিম আইন চালু আছে, তাতে বহুবিবাহ স্বীকার করা হয়েছে, কিন্তু কখনোই তাকে উৎসাহ দেয়া হয়নি। স্ত্রীকে তার সঙ্গে থাকতে বাধ্য করতে পারে না স্বামী। স্বামীর সেই অধিকার নেই। দিল্লি হাইকোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়কে উদ্ধৃত করে গুজরাট হাইকোর্টও জানিয়েছে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কখনোই নিছক আশার বিষয় হয়ে সংবিধানে থাকতে পারে না। বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা ও বিচারপতি নীহার মেহতা রায়ে বলেছেন, দাম্পত্যের অধিকার শুধু স্বামীরই থাকবে এটা হতে পারে না। পারিবারিক আদালত কোনো স্ত্রীকে স্বামীর সঙ্গে বসবাসে বাধ্য করতে পারে না। বিচারপতিরা জানিয়েছেন, বনাসকান্থা জেলার পারিবারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে এক নারী আবেদন জানিয়েছিলেন। পারিবারিক আদালত দিয়েছিল, ওই নারীকে স্বামীর কাছে ফিরে যেতে হবে এবং স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে হবে।
২০১০ সালের ২৫ মে ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। পেশায় নার্স ওই নারী স্থানীয় হাসপাতালে কাজ করতেন। কিন্তু তার স্বামী তাকে অস্টেুলিয়া যাওয়ার জন্য বাধ্য করছিলেন এবং সেখানে কাজ করার জন্য চাপাচাপি করছিলেন। এরপরই ছেলেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছাড়েন ওই নারী। তিনি আবেদনে জানিয়েছিলেন, তিনি কখনোই অস্ট্রেলিয়া যেতে চাননি।

গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ভুলে দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠাল ব্যাংক!
মাথাভাঙ্গা মনিটর: ব্যাংকে লেনদেনের হিসেব নিয়ে ছোটখাট ভুল হরহামেশা হয়ে থাকে। আজকাল সবকিছু অনলাইনে এক ক্লিকেই হয়ে যায়। তাই অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে কখনো কখনো ভুল হয়। তবে ভুল করে বিভিন্ন গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫শ কোটি টাকা) পাঠানোর ঘটনা সরাচর ঘটে না। বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ১৫শ কোটি টাকা পাঠিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছে যুক্তরাজ্যের স্যান্টান্ডার ব্যাংক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের উপহার উপলক্ষে দু’হাজার গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাঠিয়েছিল স্যান্টান্ডার ব্যাংক। কিন্তু প্রযুক্তিগত ক্রুটির কারণে ওই গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ টাকা চলে যায়। টাকার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। এদিকে, বিপুল পরিমাণ টাকা গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে স্যানট্যান্ডার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের দাবি বাড়তি টাকা গ্রাহকরা ফেরত দিতে চাইছেন না। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাকা গ্রাহকদের থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী ব্যাংকের কাছ থেকে ভুলবশত চলে যাওয়া টাকা গ্রাহক ফেরত দিতে বাধ্য। গ্রাহক যদি সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন তা হলে তার ১০ বছর কারাদ- হতে পারে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More