স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কানাডা প্রবাসী দামুড়হুদা গোপালপুরের আকাশ

 

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের আলাউদ্দিন আল আজাদ ওরফে তুহিন মালিতা ও নুরুন্নাহার আজাদ দম্পতির প্রথম সন্তান পারভেজ আজাদ আকাশ। শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী এবং আচার-আচরণে ন¤্র, ভদ্র ও বিনয়ী হওয়ায় আকাশ ছিলেন সকলের প্রিয়। নিজেকে আলোকিত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে অর্থাৎ বাবা-মায়ের স্বপ্নপূরণে তার চেষ্টা ছিলো নিরন্তর। সেই স্বপ্নপূরণের আগেই চিরদিনের মতো হারিয়ে গেলেন বাবার কলিজার টুকরা মায়ের নাড়ি ছেড়া ধন পারভেজ আজাদ আকাশ।

কানাডার রেজিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদে স্নাতক শেষ সেমিস্টারের মেধাবী ছাত্র পারভেজ আজাদ আকাশ গত ১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় মন্ট্রিল শহরে আকস্মিক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ……… রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ২৪ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে আগামী ২৮ নভেম্বর সোমবার সকাল ৬টায় আকাশের মরদেহ ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। ওইদিন বেলা ১২ মরহুমের মরদেহ চুয়াডাঙ্গার শহরতলী দৌলাতদিয়াড় এলাকার বাড়িতে নেয়া হবে। যে বাড়িতে কেটেছে শৈশব ও দূরন্ত কৈশোরের সূবর্ণ সময়। দৌলাতদিয়াড়ে কিছুসময় রাখার পর পৈত্রিকভিটা গোপালপুরে নেয়া হবে এবং বাদ যোহর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আলাউদ্দিন আল আজাদ-নুরুন্নাহার আজাদ দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে পারভেজ আজাদ আকাশ ছিলেন বড়। ছোট ছেলের নাম আবীর আজাদ। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে গ্রাম ছেড়ে চলে আসেন শহরতলী দৌলাতদিয়াড়ে। সেখানে ফায়ার সার্ভিস পাড়ায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলী (ভি.জে) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের এসএসসি ব্যাচের ছাত্র আকাশ। এইচএসসি পাসের পর উচ্চ শিক্ষার্থে কানাডায় যান এবং মন্ট্রিল শহরের রেজিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিভাগে স্নাতকে ভর্তি হন। মৃত্যুর আগে স্নাতক শেষ সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুমহলে শোক নেমে এসেছে। নিহতের বাবা প্রিয় সন্তানের রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More