চুয়াডাঙ্গায় রাতের আধারে এক যুবককে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা

 

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় টার্গেট মিস করে রাতের আধারে রিয়াজ জোয়ার্দ্দার (২৩) নামে এক যুবককে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের ছাগল উন্নয়ন খামারের অদূরে এ ঘটনা ঘটে। আহত রিয়াজকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেফার্ড করেছে। রিয়াজ জোয়ার্দ্দার চুয়াডাঙ্গা শহরতলির হাজরাহাটি গ্রামের জোয়ার্দ্দার পাড়ার রকিব ইসলাম জোয়ার্দ্দারের ছেলে। তিনি ইউনিলিভার কোম্পানির সুপারভাইজার হিসেবে চুয়াডাঙ্গা শহরে কর্মরত ছিলেন। আহত রিয়াজ দৈনিক মাথাভাঙ্গাকে বলেন, হাজরাহাটি গ্রামের মাঠপাড়ার মান্নান শেখের ছেলে স্বপন শেখের (২৭) সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে তার বন্ধুদের বিরোধ চলছিল। গত রোববার রাত ১০টার দিকে শহরের একাডেমি মোড় থেকে ব্যক্তিগত কাজ শেষে মোটরসাইকেলযোগে আমি ও স্বপন শেখ বাড়ি যাচ্ছিলাম। এ সময় ছাগল উন্নয়ন খামারের অদূরে পৌঁছালে অজ্ঞাত এক যুবক আমাদের গতিরোধ করে। মোটরসাইকেল থামালে আশপাশে থাকা ১০/১২ জন অজ্ঞাত যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় স্বপন শেখ পালিয়ে যায়। আমাকে প্রায় ৩০ মিনিট মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. পারভীন অনিক চৌধুরী দৈনিক মাথাভাঙ্গাকে বলেন, রিয়াজের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ পাওয়া গেছে। বাম চোখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এদিকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাললে আহত রিয়াজের শয্যাপাশে থাকা তার চাচাতো ভাই রনি জানান দৈনিক মাথাভাঙ্গাকে বলেন, রিয়াজ শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছে এখানকার চিকিৎসক। চোখে ঝাপসা দেখছে। তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাব্বুর রহমানের সরকারি নাম্বারে কল করা হলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More