চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার জন্মদিন পালিত

বেগম মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের সহযোদ্ধা

মাথাভাঙ্গা ডেস্ক: মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবরকম প্রেরণার উৎস। বেগম মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের সহযোদ্ধা। বঙ্গবন্ধুকে তিনি ছায়ার মতো আগলে রাখতেন। সাহস, ধৈর্য, কষ্ট সহিষ্ণুতায় তিনি সর্বদাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের জন্য নিজ বাড়ি থেকে যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গমাতা বলেছিলেন ‘তুমি যা বিশ্বাস করো, বক্তৃতায় তাই বলবে’। এমনকি বঙ্গবন্ধু যখন রাষ্ট্রপতি হলেন তখন বঙ্গমাতা বলেছিলেন, ‘আমি ৩২ নম্বরের বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবো না’। এক সহজ-সরল সাদামাটা বিশ্বাসের মধ্যেই এভাবেই তিনি সমগ্র জীবন কাটিয়েছেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহসহ সারাদেশে আলোচনাসভা, দোয়া ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর গুণাবলীর শতভাগই আমরা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের মধ্যে দেখতে পাই৷ বেগম মুজিবের কাছে সাহায্য চেয়ে কেউ কখনো খালি হাতে ফিরে যেত না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসতেন। দেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে বেগম মুজিবও বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা করেছেন৷ দলীয় কর্মীদের সুখ-দুঃখের সঙ্গে ছিলেন তিনি। ছাত্র রাজনীতির সময়ও বেগম মুজিব তার পৈতৃক সম্পত্তির অর্জিত অর্থ দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে সাহায্য করেছিলেন। রাজনৈতিক কাজে টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করতে তিনি তার গহনা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে বেগম মুজিব পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গতকা রোববার বিকেল চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজেন দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খুস্তার জামিল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন ও অ্যাড. শামসুজ্জোহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান ও মুফতি মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. আবু তালেব বিশ্বাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নুরুল ইসলাম, বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তালিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা, শ্রমিক লীগ সভাপতি মো. আফজালুল হক বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক রিপন ম-ল, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা নুরুন্নাহার কাকলী, জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি নাবিলা রুকসানা ছন্দা, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদি মিলি, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া শাহাব, যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক আফরোজা পারভীন, মহিলা নেত্রী শেফালী, সাবেক যুব লীগের আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, সাবেক যুব লীগ নেতা আব্দুল কাদের, সিরাজুল ইসলাম আসমান, টুটুল, ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সহসভাপতি সাহাবুল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানিম হাসান তারেক, ছাত্রলীগ নেতা রিগান, সোহেল, আকাশ ও রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক শওকত আলী বিশ্বাস এবং দোয়া পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস।
চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে দশটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ অনুষ্ঠান হয়। এর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্দ্যেগে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় চত্বরের বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। অনুষ্ঠানে ২৮ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ৩০ জনের মধ্যে ২ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, জাতীয় মহিলা সংস্থা ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সম্মিলিত এ আয়োজনে ও পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাজিয়া আফরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিকুর রহমান, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদী মিলি, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাকসুরা জান্নাত, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আফসানা ফেরদৌসী, জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নাবিলা রুকসানা ছন্দা প্রমুখ। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে আয়োজিত আলোচনাসভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের আয়োজনে আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় জেলা যুবলীগের কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগের সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার। আলোচনা সভাটির পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী যুবলীগ সদস্য সাজ্জাদুল ইসলাম লাভলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য আলমগীর আজম খোকা, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, মালেক ভূইয়া, দামুড়হুদা ইউনিয়নের সাকে মেম্বার জাহিদুল, হাউলী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক লিপন, জামজামি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আবু মূছা, পদ্মবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বিপ্লব হোসেন, যুবলীগ নেতা পিরু মিয়া, শেখ শাহী, মাসুদুর রহমান মাসুম, আব্দুল আলিম ফটিক, হাসানুর ইসলাম পলেন, শেখ দরুদ হাসান, আল-ইমরান শুভ, রামিম হাসান সৈকত, সামিউল শেখ সুইট, শেখ রাসেল, দিপু বিশ্বাস, জামাল খান, জাকির, লোকমান, জুয়েল, আলমগীর, নোমান, আসাদ, আলীহিম, সাদিকুর, সুমন, পিয়াস, মাহফুজ, বাচ্চু, শ্রমিক লীগ নেতা আশা, হাসু, ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার, কবির, শাকিব, ইমরান, অমি, কাফী প্রমুখ। মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা স্টেডিয়াম মসজিদের পেশ ইমাম মো. ওমর ফারুক।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হোসেন দুদুর আয়োজনে আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেদারগঞ্জস্থ নিজ কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হাজি আফসার আলী, আজিজুল হক, আপেল আলী, রমজান আলী চান্দু, মানিক মাস্টার, শাহার আলী, রবি মাস্টার, আসলাম আলী, আনছারউল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য অধ্যক্ষ মহাবুল ইসলাম সেলিম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি যুবলীগ নেতা শরীফ হোসেন দুদু, সাবেক সদস্য আবুল হোসেন মিলন, অ্যাড. তসলিম উদ্দিন ফিরোজ, গোলজার হোসেন পিন্টু, স্বপন আলী, সদর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন রেজা, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ নাঈম পারভেজ সজল, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসম্পাদক জাকির হুছাইন জ্যাকি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আব্দুস সামাদ, খাইরুল ইসলাম, জাফর আলী, সোহেল রানা, লিটন মিয়া, জীবন শেখ, জেলা যুবলীগ নেতা ফেরদৌস জোয়াদ্দার, আসলাম উদ্দিন, আশরাফুল, শহীদুল ইসলাম শহীদ, মিলন আলী, আলম, আব্দুল হান্নান, ফেরদৌস ওয়াহিদ হৃদয়, মোজাহিদ উজ্জ্বল তরফদার, পৌর শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, ধুলন আলী, হাসেম আলী, গাজন মিয়া, হোসেন আলী, নায়েব আলী, মজিবর মিয়া, জেলা ছাত্রলীগ নেতা কানন আহমেদ, ফিরোজ আলম, আব্দুল খালেক, সজল খান, মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, ইমরোজ হাসান, খোকন আলী, লিপু জোয়াদ্দার, সানজিদ আহমেদ, সাজিদ হাসান রাজন, আরমান আলিফ ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম মন্ডল, মিরাজ আলী, ইমরান, ইয়ামিন, সবুর আলী, মানিক মিয়া, বনি আমিন, আকাশ বক্কর, ইমন, ফাইম, ছাব্বির, রতন, তুষার, নাসির, সাইফ, ইমরান, হামজা, সবুর আলী প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেদারগঞ্জ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাও. রুহুল আমিন।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গা সদরের মোমিনপুরে দিনটি উপলক্ষ্যে দোয়া ও কেটকেটে জন্মদিন পালন করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে মোমিনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান নিপুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান নান্নু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুয়ল্লাহ আল মামুন রতন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা বাবুল, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হোসেন, শামসুর রহমান, নুরুল, নূরজালাল, রফিক, আশা, মঞ্জিল, সুমন, মিকাইল, আরিফ, নজু প্রমুখ।
আসমানখালী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গার চিৎলা ইউনিয়ন আ.লীগের উদ্যোগে কেক কেটা ও আলোচানা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে ইউনিয়ন আ. লীগের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি শাহ আব্দুল বাতেন। প্রধান অতিথি ছিলেন খাদিমপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান বাবলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিৎলা ইউনিয়ন আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপু, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সমসের আলী ম-ল, মনিরুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, জুলফিকার আলী ভুট্টো, আতাউর রহমান, রবিউল ইসলাম ঝন্টু, মহাসিন আলী, কামরুজ্জামান বাবু, আবুল হোসেন, আব্দুল্লাহ, জাহিদ হোসেন, লাল্টু হোসেন, জিয়া উর রহমান, সাইফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম রবি, শাহাজান আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আ. লীগের সধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক।
আপরদিকে, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন আ.লীগের দলীয় কার্যলয়ে রেলা সাড়ে ৫টার দিকে কেক কাটা ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক। প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আ.লীগের কার্য নির্বাহী সদস্য নাহিদ হাসনাত সোহাগ। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজিবর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোষদেল আলম প্রমুখ।
দামুড়হুদা অফিস জানিয়েছে, দামুড়হুদায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদা খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আছির উদ্দীন। দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ’র সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো মনিরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাসুম আব্দুল্লাহ, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ইসহাক আলি, উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত আয়ুব আলী, দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আব্দুল খালেক, দর্শনা থানার ওসি মাহবুবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি হাজি আব্দুল কাদির, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, সাবেক মেম্বার আবুল হাশেম, নতিপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক মমিনুল হক, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম নুরুন্নবী। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উপজেলা শাখা, উপজেলা আওয়ামী লীগ, দামুড়হুদা প্রেসক্লাব, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় ও দামুড়হুদা -দর্শনা থানা।
এদিকে, গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে দিবসটি উপলক্ষ্যে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা অধিদপ্তরের কার্যালয়ের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
দর্শনা অফিস জানিয়েছে, দর্শনায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় দর্শনা পৌর আ.লীগের কার্যালয়ে বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিত্বে পুস্পমাল্য অর্পণ, দোয়া ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আ.লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী, গোলাম ফারুক আরিফ, শফিকুল আলম, বিল্লাল হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি সোলায়মান কবির, সহসম্পাদক আ. মান্নান খান, দর্শনা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসলাম আলী তোতা, সহসভাপতি মামুন শাহ, যুবলীগ নেতা হিরন, ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুল আলম, নাহিদ পারভেজ, রিপন, লোমান, রাসেল, মিল্লাত, নাজিম, অপু সরকার, মোহাম্মদ, রায়হান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি আবুল বাশার।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ এবং আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে মেহেরপুরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার বিকেলে মেহেরপুর জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্ব মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে জুমের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে জুমের মাধ্যমে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রড-১) রাম চন্দ্র দাস, যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প পরিচালক (আইজিএ প্রকল্প) তরিকুল আলম, পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলম। সহকারী কমিশনার মিথিলা দাসের সঞ্চালনায় ‘সংকটে সংগ্রামে নির্ভিক সহযাত্রী’ শীর্ষক আলোচনাসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসিমা খাতুন। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন পিপি পল্লব ভট্টাচার্য প্রমুখ। পরে সেখানে ১৫ জনের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়। আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খান, সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার আসাদুজ্জামান রিপন, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গাংনী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মেহেরপুরের গাংনীতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। গতকাল রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুর-২ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন। গাংনী উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমি খানম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক, গাংনী পৌর মেয়র আহাম্মেদ আলী ও এমপি পতœী লাইলা আনজুমান বানু। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সম্পর্কে আলোকপাত করেন প্রধান অতিথি সাহিদুজ্জামান খোকন। তিনি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। পরে ৬জন নারীকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন, গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাস্টার সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।
মুজিবনগর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মেহেরপুরের মুজিবনগর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা, সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১১টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা হলরুমে আলোচনাসভায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার আনিছুজ্জামান খাঁন প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার তার বক্তব্য বলেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে নয়, একজন নীরব দক্ষ সংগঠক হিসেবে যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয় সমআসনে অধিষ্ঠিত করেছেন তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। সতত প্রেরণাদায়ী বঙ্গমাতা, বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ পর্যায়ে যে মহীয়সী নারী, প্রেরণাদায়ী হিসেবে সর্বদায় ছায়ার মতো বঙ্গবন্ধুর জীবনের সহযোগিতায় ছিলেন তিনিই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন খন্দকার তানিয়া আক্তার।
মহেশপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মহেশপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দুস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্বাশতী শীলের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামীদ, ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক আজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা খাতুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এটিএম খাইরুল আনামসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা। তার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলেচানা করেন প্রধান অতিথি। আলোচনা শেষে ৬ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More