দামুড়হুদায় নদী ভাঙনের মুখে মসজিদ-ঈদগাসহ ৫০টি বসতভিটা

দামুড়হুদা অফিস: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের একমাত্র নবনির্মিত জামে মসজিদ, ঈদগা ময়দান ও প্রায় ৫০টি বসতভিটা নদী ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বসতভিটা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা প্রয়োজন না হলে আগামী বর্ষা মরসুমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বসতভিটাগুলো নদী গর্ভে ধসে বিলীন হয়ে যেতে পারে। মসজিদটি গ্রামের পশ্চিম দিকে মাথাভাঙ্গা নদীর ১০০ গজ দূরে থাকলে ও ২০১৮ সাল থেকে নদীর পূর্ব দিকে ভাঙন শুরু হয়। গত বর্ষা মরসুমে মসজিদ, ঈদগা ময়দান ও প্রায় ৫০টি বসতভিটা নদী ভাঙনে সীমানা ছুই ছুই অবস্তা হয়েছে।
গ্রামের আজম আলী বলেন, মাথাভাঙ্গা নদী টি যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে; এই শুষ্ক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আগামী বর্ষা মরসুমে নদীর পনি বৃদ্ধি পেলে মসজিদ, ঈদগাসহ নদীর কুলে বসবাসবারী প্রায় ৫০টি বসত ভিটা নদীতে ধসে যেতে পারে।
ওই গ্রামের মসজিদ কমিটির সভাপতি মিনহাজ উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিনের জনাকীর্ণ পুরাতন মসজিদটি ভেঙে একই স্থানে গ্রামবাসী ও ধর্নাট্য ব্যক্তিদের সহায়তায় নুতনভাবে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাড়ে ৩ লাখ অনুদানসহ ৫৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়ে গেলেও মসজিদের কাজ সম্পন্ন হয়নি। সামান্য কিছু কাজ বাকি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর পূর্বদিকে ভাঙন শুরু হয়েছে ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে মসজিদের পেছনে নদীর ধারে বাঁশ ঝাড় লাগানো হয়েছে। তবে উচু পাহাড়ের মতো হয়ে ভাঙন ধরায় বাঁশ ঝাড় কোনো কাজ হচ্ছে না। আগামী বর্ষা মরসুমের আগে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নিলে বসতভিটাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ধসে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর মাসে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা পওর বিভাগ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হলেও কোনো কিনারা হয়নি। গ্রামবাসী মাথাভাঙ্গা নদী ভাঙন রক্ষায় ২০০০ফিট নদীর পাড় সংরক্ষণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আহবান জানান।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More