দামুড়হুদায় সড়ক দুর্ঘটনায় জীবননগরের আশিক নিহত

দামুড়হুদা অফিস: দামুড়হুদার জয়রামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আশিকুর রহমান আশিক (৩০) নিহত হয়েছেন। নিহত আশিকুর রহমান আশিক জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামের নওদাপাড়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গতকাল রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামের আশিকুর রহমান আশিক একটি কালো রংয়ের পালসার মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামে(বাড়ি) ফিরছিলেন। ওই সময় দামুড়হুদা জয়রামপুর চায়ের দোকান-কাঁঠালতলার মাঝামাঝি স্থানে পেঁৗঁছালে একটি অজ্ঞাত যানবাহন তাকে ধাক্কা দিয়ে পিষ্ট করে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা ধারনা করছেন। সেই সময় অজ্ঞাত যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে আশিকুর রহমান আশিকের নারি ভূড়ি বেরিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সহাযোগিতায় দামুড়হুদার দর্শনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুন তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল শুভ দৈনিক মাথাভাঙ্গাকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আশিকুর রহমান আশিক নামে একজনকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হাসপাতালে ভর্তি করে। আমরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেছি। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের দৈনিক মাথাভাঙ্গাকে বলেন, পরিক্ষা-নিরিক্ষার পর আশিককে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত পালসার মোটরসাইকেল টি উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি, অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত জখম আশিকের মৃত্যু হয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ করতে রাজি নয়।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More